আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের চাপে বড় সংকটে পড়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। শিল্প মালিকদের দাবি, গত তিন বছরে অন্তত ৪০০ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত নীতিগত সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সামনে রেখে পোশাক শিল্প মালিকদের বিভিন্ন প্রস্তাবনায় উঠে এসেছে এই চিত্র।ব্যবসায়ীরা বলছেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয়, ডলারের অস্থিরতা এবং শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা পণ্যের দাম কমানোর জন্যও চাপ দিচ্ছে।
আরও পড়ুন , ফরচুন সুজের চেয়ারম্যান-এমডিসহ ৮ জনকে ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা করল বিএসইসি
বিজিএমইএর তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের বেতন প্রায় ৫৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এতে ছোট ও মাঝারি অনেক কারখানা টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে।এদিকে ভিয়েতনাম, ভারত ও চীনের মতো প্রতিযোগী দেশগুলো তাদের রপ্তানিকারকদের করসুবিধা ও প্রণোদনা দিয়ে সহায়তা করছে। ফলে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানিয়েছেন, সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছে এবং বাজেটের পর পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তারা আশাবাদী।অন্যদিকে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেছেন, ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখতে দ্রুত নীতিসহায়তা জরুরি।
আরও পড়ুন , যুদ্ধের প্রভাবে জাপানে রঙিন প্যাকেট এখন সাদা-কালো

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের চাপে বড় সংকটে পড়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। শিল্প মালিকদের দাবি, গত তিন বছরে অন্তত ৪০০ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত নীতিগত সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট সামনে রেখে পোশাক শিল্প মালিকদের বিভিন্ন প্রস্তাবনায় উঠে এসেছে এই চিত্র।ব্যবসায়ীরা বলছেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয়, ডলারের অস্থিরতা এবং শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা পণ্যের দাম কমানোর জন্যও চাপ দিচ্ছে।
আরও পড়ুন , ফরচুন সুজের চেয়ারম্যান-এমডিসহ ৮ জনকে ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা করল বিএসইসি
বিজিএমইএর তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের বেতন প্রায় ৫৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এতে ছোট ও মাঝারি অনেক কারখানা টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে।এদিকে ভিয়েতনাম, ভারত ও চীনের মতো প্রতিযোগী দেশগুলো তাদের রপ্তানিকারকদের করসুবিধা ও প্রণোদনা দিয়ে সহায়তা করছে। ফলে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা।বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানিয়েছেন, সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছে এবং বাজেটের পর পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তারা আশাবাদী।অন্যদিকে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেছেন, ব্যবসায়ীদের টিকিয়ে রাখতে দ্রুত নীতিসহায়তা জরুরি।
আরও পড়ুন , যুদ্ধের প্রভাবে জাপানে রঙিন প্যাকেট এখন সাদা-কালো

আপনার মতামত লিখুন