ঝিনাইদহের মহেশপুরের বিভিন্ন হাটবাজারে হাতি দিয়ে কৌশলে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। হাতির পিঠেবসা মাহুতের নির্দেশেই রাস্তায় চলাচলরত পথচারী থেকে শুরু করে দোকান ঘরে ঘরে হাতিটি শুড় এগিয়েদিয়ে তোলা হচ্ছে টাকা।শুঁড়ের মাথায় টাকা না দওেয়া পর্যন্ত হাতিটি সেখান থেকে শুঁড় সরাচ্ছে না। এভাবেই অভিনব কৌশলেহাতি দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি। এতে ভোগান্তিতে পরছেন পথচারী ও গাড়ীচালকেরা। যা নিয়ে তাদের মধ্যেক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।বুধবার সকালে মহেশপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ও রাস্তায় এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিনে দেখা যায়, মাহুত হাতি দিয়ে গাড়ী, পথচারী ও দোকানির কাছ থেকে ১০ থেকে ৫০ টাকার্পযন্ত নেওয়া হচ্ছে চাঁদা। কোটচাঁদপুর - খালিশপুর সড়কের পথচারী,গাড়ীর সামনে হাতি শুঁড় এগিয়েদিলে সঙ্গে সঙ্গে পথচারী ৫০ টাকা হাতিটির শুঁড়ে গুজে নেয়।টাকা নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই পথচারী বলেন, টাকা না দিলে সামেন থেকে যাবে না। আমরা নিরুপায়হয়ে টাকা দিই।
আরও পড়ুন, গোপালগঞ্জে ‘প্রাথমিক শিক্ষায় প্রমিত বাংলা ভাষার প্রয়োগ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ
আব্দুর রহিম নামের এক পথচারী বলেন, এভাবে হাতি দিয়ে চাঁদা তোলায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যেকোনোসময় ঘটতে পারে র্দুঘটনাও।খাইরুল ইসলাম নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, মাঝ পথে গাড়ি থামিয়ে হাতি দিয়ে এভাবে সড়কেচাঁদা তোলায় র্দুঘটনা ঘটছে। স্কুল/কলেজের শিক্ষাথীরা অনেক সময় হাতি দেখে ভয় পাচ্ছে। হঠাৎ করে রাস্তাপার হতে গাড়ীর গতি কুমানের কারণে র্দুঘটনার কবলেও পরতে হচ্ছে।টাকা নেওয়ার কারন জানতে চাইলে হাতির মাহুত বলেন,র্সাকাস বন্ধ থাকায় হাতির ভরণ পোষনের জন্য মানুষেরকাছ থেকে টাকা চেয়ে নিচ্ছি। টাকা নেওয়ার নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে এমন প্রশ্নের কোনোউত্তর দিতে পারেনি হাতির মাহুত।মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ ( ওসি) আজাদ রহমান বলেন, বন্যপ্রাণী দিয়ে এভাবে সড়কে চাঁদাবাজিকরার সুযোগ নইে। যদি এমন চাদাবাজি করে থাকে তথ্য দেন আইনগত ব্যবস্থা নেব।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝিনাইদহের মহেশপুরের বিভিন্ন হাটবাজারে হাতি দিয়ে কৌশলে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। হাতির পিঠেবসা মাহুতের নির্দেশেই রাস্তায় চলাচলরত পথচারী থেকে শুরু করে দোকান ঘরে ঘরে হাতিটি শুড় এগিয়েদিয়ে তোলা হচ্ছে টাকা।শুঁড়ের মাথায় টাকা না দওেয়া পর্যন্ত হাতিটি সেখান থেকে শুঁড় সরাচ্ছে না। এভাবেই অভিনব কৌশলেহাতি দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি। এতে ভোগান্তিতে পরছেন পথচারী ও গাড়ীচালকেরা। যা নিয়ে তাদের মধ্যেক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।বুধবার সকালে মহেশপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ও রাস্তায় এমন চিত্র দেখা গেছে।সরেজমিনে দেখা যায়, মাহুত হাতি দিয়ে গাড়ী, পথচারী ও দোকানির কাছ থেকে ১০ থেকে ৫০ টাকার্পযন্ত নেওয়া হচ্ছে চাঁদা। কোটচাঁদপুর - খালিশপুর সড়কের পথচারী,গাড়ীর সামনে হাতি শুঁড় এগিয়েদিলে সঙ্গে সঙ্গে পথচারী ৫০ টাকা হাতিটির শুঁড়ে গুজে নেয়।টাকা নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ওই পথচারী বলেন, টাকা না দিলে সামেন থেকে যাবে না। আমরা নিরুপায়হয়ে টাকা দিই।
আরও পড়ুন, গোপালগঞ্জে ‘প্রাথমিক শিক্ষায় প্রমিত বাংলা ভাষার প্রয়োগ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ
আব্দুর রহিম নামের এক পথচারী বলেন, এভাবে হাতি দিয়ে চাঁদা তোলায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যেকোনোসময় ঘটতে পারে র্দুঘটনাও।খাইরুল ইসলাম নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, মাঝ পথে গাড়ি থামিয়ে হাতি দিয়ে এভাবে সড়কেচাঁদা তোলায় র্দুঘটনা ঘটছে। স্কুল/কলেজের শিক্ষাথীরা অনেক সময় হাতি দেখে ভয় পাচ্ছে। হঠাৎ করে রাস্তাপার হতে গাড়ীর গতি কুমানের কারণে র্দুঘটনার কবলেও পরতে হচ্ছে।টাকা নেওয়ার কারন জানতে চাইলে হাতির মাহুত বলেন,র্সাকাস বন্ধ থাকায় হাতির ভরণ পোষনের জন্য মানুষেরকাছ থেকে টাকা চেয়ে নিচ্ছি। টাকা নেওয়ার নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে এমন প্রশ্নের কোনোউত্তর দিতে পারেনি হাতির মাহুত।মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ ( ওসি) আজাদ রহমান বলেন, বন্যপ্রাণী দিয়ে এভাবে সড়কে চাঁদাবাজিকরার সুযোগ নইে। যদি এমন চাদাবাজি করে থাকে তথ্য দেন আইনগত ব্যবস্থা নেব।

আপনার মতামত লিখুন