দেশের বিভিন্ন বিভাগে ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছয়টি শিশু হাসপাতাল দীর্ঘদিন অব্যবহৃত পড়ে থাকার ঘটনায় ব্যবস্থা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে তিনি হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
আরও পড়ুন, বিনিয়োগবান্ধব রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনে সরকার কাজ করছে: উপদেষ্টা মাহদী আমিন
অব্যবহৃত হাসপাতালগুলো হলো—রাজশাহী শিশু হাসপাতাল, খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল, রংপুর শিশু হাসপাতাল, বরিশাল শিশু হাসপাতাল, কুমিল্লা শিশু হাসপাতাল এবং সিলেট জেলা হাসপাতাল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে—বছরের পর বছর ধরে আধুনিক এসব হাসপাতাল ভবন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পরই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, পাঁচদিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন, দ্রুত হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করে চালুর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে আগামী ২ জুনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এদিনের বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসাইন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন, আকস্মিক উপস্থিতির পর আবারও চমক তারেক রহমানের
বৈঠকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দ্রুত চালুর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। অন্যদিকে নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, এসব হাসপাতাল চালু হলে দেশের বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী অব্যবহৃত শিশু হাসপাতাল

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
দেশের বিভিন্ন বিভাগে ৩২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ছয়টি শিশু হাসপাতাল দীর্ঘদিন অব্যবহৃত পড়ে থাকার ঘটনায় ব্যবস্থা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে তিনি হাসপাতালগুলো দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
আরও পড়ুন, বিনিয়োগবান্ধব রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনে সরকার কাজ করছে: উপদেষ্টা মাহদী আমিন
অব্যবহৃত হাসপাতালগুলো হলো—রাজশাহী শিশু হাসপাতাল, খুলনা বিভাগীয় শিশু হাসপাতাল, রংপুর শিশু হাসপাতাল, বরিশাল শিশু হাসপাতাল, কুমিল্লা শিশু হাসপাতাল এবং সিলেট জেলা হাসপাতাল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে—বছরের পর বছর ধরে আধুনিক এসব হাসপাতাল ভবন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পরই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, পাঁচদিন বজ্রবৃষ্টির আভাস
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন, দ্রুত হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করে চালুর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে আগামী ২ জুনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এদিনের বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসাইন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন, আকস্মিক উপস্থিতির পর আবারও চমক তারেক রহমানের
বৈঠকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দ্রুত চালুর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। অন্যদিকে নীলফামারীতে ১ হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, এসব হাসপাতাল চালু হলে দেশের বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

আপনার মতামত লিখুন