ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে চাইলে তাকে আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই ফিরতে হবে। আর বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে অবস্থান করছেন। ফলে তার দেশে ফেরার বিষয়টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা এবং প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
আরও পড়ুন, ভারী বর্ষণে জলজট নিরসনে ভোর থেকেই মাঠে ডিএসসিসি
সাধারণ নাগরিকের মতো সরাসরি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।এছাড়া, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রধান ১০টি মামলার তদন্তও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খুব শিগগিরই এসব মামলার প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, আত্মসমর্পণ এবং বিচার—সবকিছুই এখন আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোবে।
বিষয় : শেখ হাসিনা প্রক্রিয়া আত্মসমর্পণ

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে চাইলে তাকে আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই ফিরতে হবে। আর বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে অবস্থান করছেন। ফলে তার দেশে ফেরার বিষয়টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা এবং প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
আরও পড়ুন, ভারী বর্ষণে জলজট নিরসনে ভোর থেকেই মাঠে ডিএসসিসি
সাধারণ নাগরিকের মতো সরাসরি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্ত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী ২১ জুলাই এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।এছাড়া, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রধান ১০টি মামলার তদন্তও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। খুব শিগগিরই এসব মামলার প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, আত্মসমর্পণ এবং বিচার—সবকিছুই এখন আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোবে।

আপনার মতামত লিখুন