সৌদি আরবে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির ঘোষণা দিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশটিতে কর্মরত কর্মীরা হজ পালনের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ দিনের বেতনসহ ছুটি পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই সুবিধা সৌদি শ্রম আইন ও কর্মীদের অধিকার কাঠামোর আওতায় কার্যকর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, পালিয়েও রক্ষা পায়নি হাজারো মানুষ
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একজন কর্মী টানা ১০ থেকে ১৫ দিনের বেতনসহ ছুটি নিতে পারবেন। এই সময়ের মধ্যে ঈদুল আজহার ছুটিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য একটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অন্তত দুই বছর ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়া এই সুযোগ শুধু তাদের জন্য প্রযোজ্য, যারা আগে কখনো হজ পালন করেননি।
আরও পড়ুন, ‘হজ হেল্প ডেস্ক’ সেবা চালু করলেন আজহারী
সৌদি মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রবাসী মুসলিম কর্মীদের ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে বড় ধরনের সহায়তা মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া নিয়োগকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রয়োজন বিবেচনায় প্রতি বছর কতজন কর্মী এই ছুটির আওতায় হজে যেতে পারবেন, তা নির্ধারণ করতে পারবেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ প্রবাসী শ্রমিকদের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে মানবিক নীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সৌদি আরবে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির ঘোষণা দিয়েছে দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশটিতে কর্মরত কর্মীরা হজ পালনের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ দিনের বেতনসহ ছুটি পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই সুবিধা সৌদি শ্রম আইন ও কর্মীদের অধিকার কাঠামোর আওতায় কার্যকর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, পালিয়েও রক্ষা পায়নি হাজারো মানুষ
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একজন কর্মী টানা ১০ থেকে ১৫ দিনের বেতনসহ ছুটি নিতে পারবেন। এই সময়ের মধ্যে ঈদুল আজহার ছুটিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য একটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অন্তত দুই বছর ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়া এই সুযোগ শুধু তাদের জন্য প্রযোজ্য, যারা আগে কখনো হজ পালন করেননি।
আরও পড়ুন, ‘হজ হেল্প ডেস্ক’ সেবা চালু করলেন আজহারী
সৌদি মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রবাসী মুসলিম কর্মীদের ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে বড় ধরনের সহায়তা মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া নিয়োগকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কাজের প্রয়োজন বিবেচনায় প্রতি বছর কতজন কর্মী এই ছুটির আওতায় হজে যেতে পারবেন, তা নির্ধারণ করতে পারবেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ প্রবাসী শ্রমিকদের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে মানবিক নীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

আপনার মতামত লিখুন