দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে সবুজায়নে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বৃক্ষরোপণ

জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে সবুজায়নে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বৃক্ষরোপণ

চাঁদাবাজ কর্মীদের পক্ষে জবি ছাত্রদল সদস্যসচিবের সাফাই, অর্থ লেনদেন স্বীকার অভিযুক্তের

চাঁদাবাজ কর্মীদের পক্ষে জবি ছাত্রদল সদস্যসচিবের সাফাই, অর্থ লেনদেন স্বীকার অভিযুক্তের

ডেঙ্গু আক্রান্ত জবি শিক্ষার্থীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেল

ডেঙ্গু আক্রান্ত জবি শিক্ষার্থীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেল

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জবি প্রেসক্লাবের নিন্দা

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জবি প্রেসক্লাবের নিন্দা

জবির নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী

জবির নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী

আগামীকাল জবির ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে আসছেন ইরান ও রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত

আগামীকাল জবির ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে আসছেন ইরান ও রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত

ফয়জুন্নেসা হলের উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ, রাস্তা উদ্বোধন করলেন জবি উপাচার্য

ফয়জুন্নেসা হলের উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ, রাস্তা উদ্বোধন করলেন জবি উপাচার্য

জবিতে ‘ককটেল ও পোস্টার আনার’ ফোনালাপ শুনে ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ

জবিতে ‘ককটেল ও পোস্টার আনার’ ফোনালাপ শুনে ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ

ভিডিও কলের পর ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্ররোচনার অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে

ভিডিও কলের পর ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্ররোচনার অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে
ভিডিও কলের পর ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্ররোচনার অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে

রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে ভিডিও কলে কথোপকথনের পর আত্মহত্যায় প্ররোচিত হন মুনিরা মাহজাবিন মিমো (২৬)। এ ঘটনায় তার এক শিক্ষককে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নিহত মিমো বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযুক্ত ড. সুদীপ চক্রবর্তী একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। পরিবারের দায়ের করা মামলায় তাকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন, ঢাবি শিক্ষার্থী মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী আটক

পুলিশ জানায়, ২৫ এপ্রিল গভীর রাতে মিমোর সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষকের ভিডিও কলে কথা হয়। এটিই তার জীবনের শেষ যোগাযোগ হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্তকারীরা বিশ্লেষণ করছেন। পরদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা তার কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পেয়ে ভেঙে ঢুকে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি একটি “ডিজিটাল ট্রেইলনির্ভর” মামলা হয়ে উঠছে। কল লগ, মেসেজ, ভিডিও কলের সময়কালসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

মামলায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা-এ অভিযোগ আনা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারায় দোষ প্রমাণ করতে হলে কেবল সম্পর্ক নয়, ধারাবাহিক মানসিক চাপ বা প্ররোচনার সুস্পষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে উত্তর বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানানো হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন, এমপিও শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার উদ্বোধন শনিবার

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দির মাধ্যমে পুরো ঘটনার চিত্র স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে অভিযুক্তকে রিমান্ডে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এদিকে, ঘটনাটি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে মানসিক চাপ ও সম্পর্কজনিত বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন।

বিষয় : শিক্ষক আত্মহত্যা ভিডিও কল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


ভিডিও কলের পর ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্ররোচনার অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে তদন্ত। পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে ভিডিও কলে কথোপকথনের পর আত্মহত্যায় প্ররোচিত হন মুনিরা মাহজাবিন মিমো (২৬)। এ ঘটনায় তার এক শিক্ষককে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নিহত মিমো বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযুক্ত ড. সুদীপ চক্রবর্তী একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। পরিবারের দায়ের করা মামলায় তাকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন, ঢাবি শিক্ষার্থী মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী আটক

পুলিশ জানায়, ২৫ এপ্রিল গভীর রাতে মিমোর সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষকের ভিডিও কলে কথা হয়। এটিই তার জীবনের শেষ যোগাযোগ হিসেবে চিহ্নিত করে তদন্তকারীরা বিশ্লেষণ করছেন। পরদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা তার কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পেয়ে ভেঙে ঢুকে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি একটি “ডিজিটাল ট্রেইলনির্ভর” মামলা হয়ে উঠছে। কল লগ, মেসেজ, ভিডিও কলের সময়কালসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

মামলায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা-এ অভিযোগ আনা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারায় দোষ প্রমাণ করতে হলে কেবল সম্পর্ক নয়, ধারাবাহিক মানসিক চাপ বা প্ররোচনার সুস্পষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষককে উত্তর বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন জানানো হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন, এমপিও শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার উদ্বোধন শনিবার

তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দির মাধ্যমে পুরো ঘটনার চিত্র স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে অভিযুক্তকে রিমান্ডে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এদিকে, ঘটনাটি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে মানসিক চাপ ও সম্পর্কজনিত বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ভিডিও কলের পর ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্ররোচনার অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে
0:00 0:00
1.0x