বাংলাদেশে হেড-নেক ক্যানসার একটি পরিচিত ও জটিল রোগ হিসেবে বিবেচিত। মুখ, গলা, জিহ্বা ও স্বরযন্ত্রে হওয়া এই ক্যানসারের প্রধান কারণ হিসেবে ধূমপান, তামাক, জর্দা ও পান সেবনকে দায়ী করা হয়। এছাড়া কিছু ভাইরাস সংক্রমণও এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। চিকিৎসকদের মতে, অনেক রোগী দেরিতে শনাক্ত হওয়ায় রোগটি জটিল পর্যায়ে পৌঁছে যায়, ফলে চিকিৎসা কঠিন হয়ে পড়ে।
বর্তমানে প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি হলো অপারেশন, কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি। তবে আধুনিক চিকিৎসায় নতুন সংযোজন হিসেবে এসেছে ইমিউনোথেরাপি, যা রোগীর শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, ইমিউনোথেরাপি শরীরের টি-সেলকে সক্রিয় করে ক্যানসার কোষ শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সহায়তা করে। এই ক্ষেত্রে পেমব্রোলিজুম্যাব এবং নিভোলুম্যাব অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ।
আরও পড়ুন, ২০ এপ্রিল থেকে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ শুরু
বিশেষজ্ঞদের মতে, রিকারেন্ট বা মেটাস্টেটিক হেড-নেক ক্যানসারের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা এখন অনেক দেশে স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব রোগীর PD-L1 এক্সপ্রেশন বেশি থাকে, তাদের ক্ষেত্রে ইমিউনোথেরাপি বেশি কার্যকর দেখা গেছে। চিকিৎসকদের মতে, এই থেরাপির বড় সুবিধা হলো দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ফলাফল, তুলনামূলক কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং রোগীর জীবনমান উন্নত হওয়া।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ উদ্বোধন, ৪০৯ কেন্দ্রে চলবে শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম
তবে সীমাবদ্ধতাও রয়েছে—সব রোগীর ক্ষেত্রে একইভাবে কাজ করে না এবং বায়োমার্কার পরীক্ষা প্রয়োজন হয়। কিছু ক্ষেত্রে ইমিউন-সম্পর্কিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে। বর্তমানে গবেষকরা ইমিউনোথেরাপিকে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির সঙ্গে মিলিয়ে আরও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি তৈরির চেষ্টা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশেও এই আধুনিক চিকিৎসা ধীরে ধীরে প্রসারিত হচ্ছে, যা হেড-নেক ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশে হেড-নেক ক্যানসার একটি পরিচিত ও জটিল রোগ হিসেবে বিবেচিত। মুখ, গলা, জিহ্বা ও স্বরযন্ত্রে হওয়া এই ক্যানসারের প্রধান কারণ হিসেবে ধূমপান, তামাক, জর্দা ও পান সেবনকে দায়ী করা হয়। এছাড়া কিছু ভাইরাস সংক্রমণও এই রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। চিকিৎসকদের মতে, অনেক রোগী দেরিতে শনাক্ত হওয়ায় রোগটি জটিল পর্যায়ে পৌঁছে যায়, ফলে চিকিৎসা কঠিন হয়ে পড়ে।
বর্তমানে প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি হলো অপারেশন, কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপি। তবে আধুনিক চিকিৎসায় নতুন সংযোজন হিসেবে এসেছে ইমিউনোথেরাপি, যা রোগীর শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় করে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, ইমিউনোথেরাপি শরীরের টি-সেলকে সক্রিয় করে ক্যানসার কোষ শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সহায়তা করে। এই ক্ষেত্রে পেমব্রোলিজুম্যাব এবং নিভোলুম্যাব অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ।
আরও পড়ুন, ২০ এপ্রিল থেকে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ শুরু
বিশেষজ্ঞদের মতে, রিকারেন্ট বা মেটাস্টেটিক হেড-নেক ক্যানসারের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা এখন অনেক দেশে স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব রোগীর PD-L1 এক্সপ্রেশন বেশি থাকে, তাদের ক্ষেত্রে ইমিউনোথেরাপি বেশি কার্যকর দেখা গেছে। চিকিৎসকদের মতে, এই থেরাপির বড় সুবিধা হলো দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ফলাফল, তুলনামূলক কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং রোগীর জীবনমান উন্নত হওয়া।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ উদ্বোধন, ৪০৯ কেন্দ্রে চলবে শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম
তবে সীমাবদ্ধতাও রয়েছে—সব রোগীর ক্ষেত্রে একইভাবে কাজ করে না এবং বায়োমার্কার পরীক্ষা প্রয়োজন হয়। কিছু ক্ষেত্রে ইমিউন-সম্পর্কিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে। বর্তমানে গবেষকরা ইমিউনোথেরাপিকে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির সঙ্গে মিলিয়ে আরও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি তৈরির চেষ্টা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশেও এই আধুনিক চিকিৎসা ধীরে ধীরে প্রসারিত হচ্ছে, যা হেড-নেক ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

আপনার মতামত লিখুন