হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন -২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে ২০ এপ্রিল। এ উপলক্ষে রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিৎ শর্মা কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। জেলায় মোট ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ৭০৫ জন শিশুকে এই টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৫৪৯৭ জন ছেলে এবং ২০০২০৮ জন মেয়ে শিশু রয়েছে। এছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩ টি উপজেলা ও ৩ টি পৌরসভায় সর্বমোট ২৭৬০ টি টিকাদান কেন্দ্রের মধ্যে ১৮টি স্থায়ী ও ২৭৪২ টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলন জানানো হয়।
আরও পড়ুন, সরকারি জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষ, কলেজছাত্র নিহত আহত অন্তত ৩০
সিভিল সার্জন আরও জানান, পূর্ববর্তী কর্মসূচিতে এমআর-১ (গজ ১) ডোজ থেকে বাদ পড়া ৮,২৩৪ জন শিশু এবং এমআর-২ (গজ ২) ডোজ থেকে বাদ পড়া ১৭,৬১৫ জন শিশুকে এবারের বিশেষ তালিকায় রাখা হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে এবং সুস্থ প্রজন্ম গড়তে এই টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন, নরসিংদীতে চকলেটের প্রলোভনে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক বৃদ্ধ আটক
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ দিদারুল ইসলাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি (এস. আই. এম.ও) কিশোরগঞ্জ জেলা ডা. মোঃ আজিজুল হক তানজিল, কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ মিজানুর রহমান, ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস, ডা. পল্লব কুমার দেবনাথ সহ কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ। এছাড়া কিশোরগঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন -২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে ২০ এপ্রিল। এ উপলক্ষে রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. অভিজিৎ শর্মা কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। জেলায় মোট ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ৭০৫ জন শিশুকে এই টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৫৪৯৭ জন ছেলে এবং ২০০২০৮ জন মেয়ে শিশু রয়েছে। এছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩ টি উপজেলা ও ৩ টি পৌরসভায় সর্বমোট ২৭৬০ টি টিকাদান কেন্দ্রের মধ্যে ১৮টি স্থায়ী ও ২৭৪২ টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলন জানানো হয়।
আরও পড়ুন, সরকারি জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষ, কলেজছাত্র নিহত আহত অন্তত ৩০
সিভিল সার্জন আরও জানান, পূর্ববর্তী কর্মসূচিতে এমআর-১ (গজ ১) ডোজ থেকে বাদ পড়া ৮,২৩৪ জন শিশু এবং এমআর-২ (গজ ২) ডোজ থেকে বাদ পড়া ১৭,৬১৫ জন শিশুকে এবারের বিশেষ তালিকায় রাখা হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে এবং সুস্থ প্রজন্ম গড়তে এই টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন, নরসিংদীতে চকলেটের প্রলোভনে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষক বৃদ্ধ আটক
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ দিদারুল ইসলাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি (এস. আই. এম.ও) কিশোরগঞ্জ জেলা ডা. মোঃ আজিজুল হক তানজিল, কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ মিজানুর রহমান, ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস, ডা. পল্লব কুমার দেবনাথ সহ কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ। এছাড়া কিশোরগঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন