প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ও ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়াকে অবহেলা নয়, হতে পারে ক্যানসারের লক্ষন
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, ঘন ঘন টয়লেটে যাওয়া কিংবা কোমরে হালকা ব্যথার মতো লক্ষণকে অনেকেই সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করেন। তবে চিকিৎসকদের মতে, এসব উপসর্গ কখনও কখনও মূত্রনালির ক্যানসারের প্রাথমিক সতর্ক সংকেত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্লাডার, কিডনি, প্রোস্টেট বা ইউরেটারের মতো অঙ্গের ক্যানসার অনেক সময় নীরবে শুরু হয়। শুরুতে লক্ষণগুলো খুব হালকা থাকায় রোগীরা তা গুরুত্ব দেন না, ফলে রোগ ধরা পড়ে দেরিতে।আরও পড়ুন, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি, কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবাকে কেন্দ্র করার পরামর্শযুক্তরাষ্ট্রের National Cancer Institute-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে ব্লাডার ও কিডনি ক্যানসার শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার সফলতার হার অনেক বেশি। চিকিৎসকদের মতে, প্রস্রাবে রক্ত যাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক লক্ষণগুলোর একটি। এমনকি ব্যথা ছাড়াই একবার হলেও এ লক্ষণ দেখা দিলে তা অবহেলা করা উচিত নয়।আরও পড়ুন, হামে আক্রান্ত হচ্ছেন বয়স্করাও, ঝুঁকিতে গর্ভবতী মাএছাড়া ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া, প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা, দুর্বল প্রবাহ, রাতে বারবার প্রস্রাবের চাপ এবং তলপেট বা পিঠে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথাও সতর্ক সংকেত হতে পারে। ভারতের চিকিৎসক ডা. অনিল থাকওয়ানি বলেন, এসব উপসর্গ অনেক সময় ইউরিন ইনফেকশন বা প্রোস্টেট বৃদ্ধির সমস্যার সঙ্গে মিলে যায়। তাই দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই পরীক্ষা করা জরুরি।আরও পড়ুন, হান্টাভাইরাস নিয়ে সতর্ক করল ফ্রান্সবিশেষজ্ঞরা আরও জানান, সময়মতো শনাক্ত হলে অস্ত্রোপচার, রেডিয়েশন বা আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তবে দেরি হলে ক্যানসার শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে, ফলে চিকিৎসা জটিল হয়ে যায়।আরও পড়ুন, কেরানীগঞ্জের অসুস্থ শিশু নূর নাহারের পাশে জুবাইদা রহমানচিকিৎসকদের মতে, ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি, ধূমপায়ী, রাসায়নিক কাজে যুক্ত মানুষ এবং যাদের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে—তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। তারা সতর্ক করে বলেন, লজ্জা বা অবহেলার কারণে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করেন, যা ভবিষ্যতে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও দ্রুত চিকিৎসা পরামর্শই জীবন রক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।