শরীরে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগে থাকেন অনেকেই। কারণ, কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে—এমন ধারণা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব কোলেস্টেরল ক্ষতিকর নয়।
আরও পড়ুন, দেশজুড়ে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু
শরীরে মূলত দুই ধরনের কোলেস্টেরল থাকে—HDL (ভালো কোলেস্টেরল) এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল)। HDL শরীরের জন্য উপকারী ভূমিকা রাখে, যেমন হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করা। অন্যদিকে LDL অতিরিক্ত হলে ধমনিতে জমে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঝারি মাত্রায় কোলেস্টেরল বাড়লে অনেক ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ডায়েট ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে সব ক্ষেত্রে ওষুধ ছাড়া কেবল খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন যথেষ্ট নাও হতে পারে।
আরও পড়ুন, গরমে বাড়ছে ফাঙ্গাল ইনফেকশন, ‘সুপার ফাঙ্গাস’ নিয়ে সতর্কতা
ভারতের বেঙ্গালুরুর পুষ্টিবিদ পূজা এইচএন এক সাক্ষাৎকারে জানান, নির্দিষ্ট সময় ধরে সঠিক ডায়েট অনুসরণ করলে অনেক রোগীর ক্ষেত্রে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আসে। তিনি বলেন, উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট—যেমন মাছ, ফলমূল, অলিভ অয়েল ও অ্যাভোকাডো—LDL কমাতে সহায়তা করে এবং HDL বাড়াতে ভূমিকা রাখে। তবে তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, সব মানুষের শরীর একইভাবে প্রতিক্রিয়া করে না। জিনগত বৈশিষ্ট্য, ওজন এবং শারীরিক অবস্থার ওপর ডায়েটের কার্যকারিতা নির্ভর করে। তাই ব্যক্তিভেদে খাদ্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
আরও পড়ুন, আফ্রিকান গাছের মূল থেকে পাওয়া উপাদানে মানসিক চিকিৎসার সম্ভাবনা
চিকিৎসকরা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন—হৃদয়বান্ধব খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন এবং অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কোলেস্টেরলের সমস্যা দেখা দিলে নিজে থেকে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী তিনি নির্ধারণ করবেন শুধু ডায়েট যথেষ্ট, নাকি ওষুধ প্রয়োজন।
বিষয় : কোলেস্টেরল ডায়েট LDL HDL

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
শরীরে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগে থাকেন অনেকেই। কারণ, কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে—এমন ধারণা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব কোলেস্টেরল ক্ষতিকর নয়।
আরও পড়ুন, দেশজুড়ে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু
শরীরে মূলত দুই ধরনের কোলেস্টেরল থাকে—HDL (ভালো কোলেস্টেরল) এবং LDL (খারাপ কোলেস্টেরল)। HDL শরীরের জন্য উপকারী ভূমিকা রাখে, যেমন হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করা। অন্যদিকে LDL অতিরিক্ত হলে ধমনিতে জমে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঝারি মাত্রায় কোলেস্টেরল বাড়লে অনেক ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ডায়েট ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে সব ক্ষেত্রে ওষুধ ছাড়া কেবল খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন যথেষ্ট নাও হতে পারে।
আরও পড়ুন, গরমে বাড়ছে ফাঙ্গাল ইনফেকশন, ‘সুপার ফাঙ্গাস’ নিয়ে সতর্কতা
ভারতের বেঙ্গালুরুর পুষ্টিবিদ পূজা এইচএন এক সাক্ষাৎকারে জানান, নির্দিষ্ট সময় ধরে সঠিক ডায়েট অনুসরণ করলে অনেক রোগীর ক্ষেত্রে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আসে। তিনি বলেন, উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট—যেমন মাছ, ফলমূল, অলিভ অয়েল ও অ্যাভোকাডো—LDL কমাতে সহায়তা করে এবং HDL বাড়াতে ভূমিকা রাখে। তবে তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, সব মানুষের শরীর একইভাবে প্রতিক্রিয়া করে না। জিনগত বৈশিষ্ট্য, ওজন এবং শারীরিক অবস্থার ওপর ডায়েটের কার্যকারিতা নির্ভর করে। তাই ব্যক্তিভেদে খাদ্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
আরও পড়ুন, আফ্রিকান গাছের মূল থেকে পাওয়া উপাদানে মানসিক চিকিৎসার সম্ভাবনা
চিকিৎসকরা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন—হৃদয়বান্ধব খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন এবং অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কোলেস্টেরলের সমস্যা দেখা দিলে নিজে থেকে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী তিনি নির্ধারণ করবেন শুধু ডায়েট যথেষ্ট, নাকি ওষুধ প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন