রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পায়রাবন্দ ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ মাহফুজা আক্তার মুক্তা (৩০) একই গ্রামের মোঃ শামিম মিয়ার স্ত্রী। তিনি মোঃ কফিল উদ্দিনের কন্যা।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল
সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার
মধ্যে বাড়ির সবার অজান্তে নিজ
বসতঘরের পশ্চিম পাশে থাকা একটি
টিনসেট কক্ষে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা
করেন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা
বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে
খবর দেন।
আরও পড়ুন, পদ্মা নদীতে টহলরত অবস্থায় নৌ পুলিশের উপর হামলা-গুলিবর্ষণ, ওসিসহ পুলিশের ৫ সদস্য গুলিবিদ্ধ
প্রাথমিক
তথ্যে জানা গেছে, নিহতের
স্বামী মোঃ শামিম মিয়া
সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে অফিস সহকারী হিসেবে
কর্মরত। প্রায় ১২-১৩ বছর
আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয় এবং
তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, চাকরিতে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন
সময় ভিকটিমকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন
করা হতো। পাশাপাশি স্বামীর
পরকীয়ার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে
দাম্পত্য কলহ চলছিল বলে
জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ উদ্বোধন, ৪০৯ কেন্দ্রে চলবে শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম
স্থানীয়দের
ধারণা, পারিবারিক কলহ ও মানসিক
চাপের কারণেই ওই গৃহবধূ এমন
চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ঘটনাস্থল
থেকে একটি লিখিত নোট
উদ্ধারের বিষয়েও আলোচনা রয়েছে, তবে এ বিষয়ে
পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পায়রাবন্দ ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ মাহফুজা আক্তার মুক্তা (৩০) একই গ্রামের মোঃ শামিম মিয়ার স্ত্রী। তিনি মোঃ কফিল উদ্দিনের কন্যা।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল
সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার
মধ্যে বাড়ির সবার অজান্তে নিজ
বসতঘরের পশ্চিম পাশে থাকা একটি
টিনসেট কক্ষে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা
করেন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা
বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশে
খবর দেন।
আরও পড়ুন, পদ্মা নদীতে টহলরত অবস্থায় নৌ পুলিশের উপর হামলা-গুলিবর্ষণ, ওসিসহ পুলিশের ৫ সদস্য গুলিবিদ্ধ
প্রাথমিক
তথ্যে জানা গেছে, নিহতের
স্বামী মোঃ শামিম মিয়া
সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে অফিস সহকারী হিসেবে
কর্মরত। প্রায় ১২-১৩ বছর
আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয় এবং
তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, চাকরিতে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন
সময় ভিকটিমকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন
করা হতো। পাশাপাশি স্বামীর
পরকীয়ার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে
দাম্পত্য কলহ চলছিল বলে
জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ উদ্বোধন, ৪০৯ কেন্দ্রে চলবে শিশু সুরক্ষা কার্যক্রম
স্থানীয়দের
ধারণা, পারিবারিক কলহ ও মানসিক
চাপের কারণেই ওই গৃহবধূ এমন
চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ঘটনাস্থল
থেকে একটি লিখিত নোট
উদ্ধারের বিষয়েও আলোচনা রয়েছে, তবে এ বিষয়ে
পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

আপনার মতামত লিখুন