বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিতর্কিত শাসনব্যবস্থার পর নতুন করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বগুড়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ‘ই-বেইলবন্ড’ সিস্টেমের উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, জনগণের সরাসরি ভোটে গঠিত সরকার এখন জবাবদিহিতামূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
আরও পড়ুন, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন শেষে জনগণ তাদের হারানো রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। এখন লক্ষ্য—কোনোভাবেই যেন আর স্বৈরাচার ফিরে আসতে না পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আইন, শাসন ও বিচার বিভাগের মধ্যে সমন্বয় অপরিহার্য। বিচার বিভাগকে শক্তিশালী না করলে নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ‘ই-বেইলবন্ড’ চালুর মাধ্যমে জামিন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানি কমবে। আগে যেখানে একটি জামিননামা সম্পন্ন করতে ১৩টি ধাপ পাড়ি দিতে হতো, এখন তা অল্প সময়েই সম্পন্ন হচ্ছে।
আরও পড়ুন, উত্তরবঙ্গের জন্য একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের
এই ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে জালিয়াতি কমবে এবং দ্রুত কারামুক্তি সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। তারেক রহমান জানান, সরকার দেশের সব আদালতে ই-বেইলবন্ড চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। একই সঙ্গে বিচার ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের কারাগারে বহু মানুষ শুধু টাকার অভাবে আইনজীবী নিয়োগ করতে না পেরে বছরের পর বছর বন্দি থাকছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আইনমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, “ন্যায়বিচার কোনো দয়া নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।”
বিষয় : গণতন্ত্র বগুড়া প্রধানমন্ত্রী অধিকার

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিতর্কিত শাসনব্যবস্থার পর নতুন করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বগুড়ার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ‘ই-বেইলবন্ড’ সিস্টেমের উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, জনগণের সরাসরি ভোটে গঠিত সরকার এখন জবাবদিহিতামূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
আরও পড়ুন, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন শেষে জনগণ তাদের হারানো রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। এখন লক্ষ্য—কোনোভাবেই যেন আর স্বৈরাচার ফিরে আসতে না পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আইন, শাসন ও বিচার বিভাগের মধ্যে সমন্বয় অপরিহার্য। বিচার বিভাগকে শক্তিশালী না করলে নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ‘ই-বেইলবন্ড’ চালুর মাধ্যমে জামিন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানি কমবে। আগে যেখানে একটি জামিননামা সম্পন্ন করতে ১৩টি ধাপ পাড়ি দিতে হতো, এখন তা অল্প সময়েই সম্পন্ন হচ্ছে।
আরও পড়ুন, উত্তরবঙ্গের জন্য একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের
এই ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে জালিয়াতি কমবে এবং দ্রুত কারামুক্তি সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। তারেক রহমান জানান, সরকার দেশের সব আদালতে ই-বেইলবন্ড চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। একই সঙ্গে বিচার ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের কারাগারে বহু মানুষ শুধু টাকার অভাবে আইনজীবী নিয়োগ করতে না পেরে বছরের পর বছর বন্দি থাকছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আইনমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, “ন্যায়বিচার কোনো দয়া নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।”

আপনার মতামত লিখুন