চলতি এসএসসি পরীক্ষা শুরু’র আগেরদিনও প্রবেশপত্র হাতে পায়নি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ৬৫ শিক্ষার্থী। ফলে পরীক্ষা দিতে পারবে কি না-এমন শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। একইসাথে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকেরাও। এ পরিস্থিতির জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গাফিলতি বলে দায়ী করছেন তারা। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল থেকেই পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৬ জন পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্রের আশায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের বারান্দায় অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
অপেক্ষমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরেফা আক্তার, জুঁই আক্তার, জিহাদ মিয়া ও সিয়ামের মতো অনেকেই জানান, রাত পোহালেই পরীক্ষা অথচ এখনো প্রবেশপত্র হাতে পাইনি। আমরা পরীক্ষা দিতে পারব কি না-সেটাই বুঝতে পারছি না।শিক্ষার্থীদের সাথে আসা অভিভাবকরাও চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল আহসান সোহেল ও অফিস সহকারী নাঈমের গাফিলতির কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকজন অভিভাবক বলেন, প্রবেশপত্র দেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দফায় দফায় টাকা দাবী করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো প্রবেশপত্র দেয়া হয়নি।
আরও পড়ুন, পাবনা সদরে ভোররাতের অভিযানে অস্ত্রের ভাণ্ডার উদ্ধার, গ্রেফতার ১ পলাতক ১
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী নাঈম প্রবেশপত্রের নামে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন নড়ে চড়ে বসে। অপরদিকে; পলাশবাড়ী পৌরশহরের গৃধারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৯ জন পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে; সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরীক্ষা শুরুর আগ মুহূর্তে এমন অব্যবস্থাপনা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে অনেকেই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন, চন্দনাইশে এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবী, জরুরি ভিত্তিতে সঠিক প্রবেশপত্র সরবরাহ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ বলেন, ঘটনাটি আমরা গুরুত্বের সহিত দেখছি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে- যাতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।
বিষয় : পলাশবাড়ী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
চলতি এসএসসি পরীক্ষা শুরু’র আগেরদিনও প্রবেশপত্র হাতে পায়নি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ৬৫ শিক্ষার্থী। ফলে পরীক্ষা দিতে পারবে কি না-এমন শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। একইসাথে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকেরাও। এ পরিস্থিতির জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গাফিলতি বলে দায়ী করছেন তারা। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল থেকেই পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের জুনদহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৬ জন পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্রের আশায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের বারান্দায় অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
অপেক্ষমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরেফা আক্তার, জুঁই আক্তার, জিহাদ মিয়া ও সিয়ামের মতো অনেকেই জানান, রাত পোহালেই পরীক্ষা অথচ এখনো প্রবেশপত্র হাতে পাইনি। আমরা পরীক্ষা দিতে পারব কি না-সেটাই বুঝতে পারছি না।শিক্ষার্থীদের সাথে আসা অভিভাবকরাও চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল আহসান সোহেল ও অফিস সহকারী নাঈমের গাফিলতির কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকজন অভিভাবক বলেন, প্রবেশপত্র দেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দফায় দফায় টাকা দাবী করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো প্রবেশপত্র দেয়া হয়নি।
আরও পড়ুন, পাবনা সদরে ভোররাতের অভিযানে অস্ত্রের ভাণ্ডার উদ্ধার, গ্রেফতার ১ পলাতক ১
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী নাঈম প্রবেশপত্রের নামে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন নড়ে চড়ে বসে। অপরদিকে; পলাশবাড়ী পৌরশহরের গৃধারীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৯ জন পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে; সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরীক্ষা শুরুর আগ মুহূর্তে এমন অব্যবস্থাপনা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে অনেকেই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন, চন্দনাইশে এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবী, জরুরি ভিত্তিতে সঠিক প্রবেশপত্র সরবরাহ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ বলেন, ঘটনাটি আমরা গুরুত্বের সহিত দেখছি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে- যাতে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন