আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর পথে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিপজ্জনক যাত্রা নিয়ে ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী সমুদ্রপথে মৃত্যু বা নিখোঁজ হয়েছেন। এই সময় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমুদ্রপথ ছিল রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী পথ।
আরও পড়ুন, বান্দরবানে মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার
ইউএনএইচসিআর জানায়, ওই বছর সাড়ে ৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ নৌযাত্রা করেন, যার মধ্যে প্রতি সাতজনের একজন প্রাণ হারান বা নিখোঁজ হন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য, যা অর্ধেকের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানায়, ২০২৫ সালের ২৬ মার্চ অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় প্রায় ২৫০ জন নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে ৯ এপ্রিল কিছু জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয় এবং তাদের চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে দস্যুতা ও চুরির ঘটনার তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রংপুরের পুলিশ সুপার
ইউএনএইচসিআর সতর্ক করে বলেছে, মানবপাচার, শোষণ ও মৃত্যুঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও রোহিঙ্গারা এই বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা অব্যাহত রাখছে। অনেক নৌকা বাংলাদেশের কক্সবাজার কিংবা মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চল থেকে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করে। সংস্থাটি আরও বলছে, অধিকাংশ রোহিঙ্গা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের সুযোগ পেলে নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়। কিন্তু চলমান সংঘাত, নিপীড়ন এবং নাগরিকত্ব সংকটের কারণে তাদের সামনে এখনো নিরাপদ ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
বিষয় : মৃত্যু রোহিঙ্গা নিখোঁজ বঙ্গোপসাগর আন্দামান সাগর

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর পথে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিপজ্জনক যাত্রা নিয়ে ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী সমুদ্রপথে মৃত্যু বা নিখোঁজ হয়েছেন। এই সময় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সমুদ্রপথ ছিল রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী পথ।
আরও পড়ুন, বান্দরবানে মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার
ইউএনএইচসিআর জানায়, ওই বছর সাড়ে ৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ নৌযাত্রা করেন, যার মধ্যে প্রতি সাতজনের একজন প্রাণ হারান বা নিখোঁজ হন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য, যা অর্ধেকের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানায়, ২০২৫ সালের ২৬ মার্চ অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় প্রায় ২৫০ জন নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে ৯ এপ্রিল কিছু জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয় এবং তাদের চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন, মিঠাপুকুরে দস্যুতা ও চুরির ঘটনার তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রংপুরের পুলিশ সুপার
ইউএনএইচসিআর সতর্ক করে বলেছে, মানবপাচার, শোষণ ও মৃত্যুঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও রোহিঙ্গারা এই বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা অব্যাহত রাখছে। অনেক নৌকা বাংলাদেশের কক্সবাজার কিংবা মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চল থেকে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করে। সংস্থাটি আরও বলছে, অধিকাংশ রোহিঙ্গা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের সুযোগ পেলে নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়। কিন্তু চলমান সংঘাত, নিপীড়ন এবং নাগরিকত্ব সংকটের কারণে তাদের সামনে এখনো নিরাপদ ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।

আপনার মতামত লিখুন