কুষ্টিয়ায় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু-এর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলার চতুর্থ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে ইনুর আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করার কারণেই তার মক্কেলকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, প্রসিকিউশন অভিযোগ প্রমাণে পর্যাপ্ত উপাদান উপস্থাপন করতে পারেনি এবং “কমান্ড রেসপনসিবিলিটি” ধারার আওতায় ইনু পড়েন না।
আরও পড়ুন, টিউলিপ রিজওয়ানা ও সরদার মোশাররফ হোসেনের মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এ বদলি
আদালতে ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া ইনুর সাক্ষাৎকার ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সাক্ষাৎকারে ইনু কোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেননি এবং তিনি কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গেই একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, ইনু আওয়ামী লীগ সরকার বা কোনো পক্ষকে সমর্থন করে বক্তব্য দেননি; বরং ব্যর্থতা ও ভুলগুলোর সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ করেছেন, যা অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে না।
আরও পড়ুন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারের নির্দেশেই ইন্টারনেট বন্ধ ছিল: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য
অন্যদিকে, প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে—২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছয়জনকে হত্যাসহ বিভিন্ন পর্যায়ে উস্কানি, ষড়যন্ত্র, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে সমর্থন এবং নিপীড়নমূলক কৌশলে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। মামলায় মোট ৮টি অভিযোগ আনা হয়েছে এবং ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান রয়েছে।
বিষয় : কুষ্টিয়া মানবতাবিরোধী বিতর্ক হাসানুল হক ইনু

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
কুষ্টিয়ায় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু-এর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী। সোমবার (১৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলার চতুর্থ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে ইনুর আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী বলেন, জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করার কারণেই তার মক্কেলকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, প্রসিকিউশন অভিযোগ প্রমাণে পর্যাপ্ত উপাদান উপস্থাপন করতে পারেনি এবং “কমান্ড রেসপনসিবিলিটি” ধারার আওতায় ইনু পড়েন না।
আরও পড়ুন, টিউলিপ রিজওয়ানা ও সরদার মোশাররফ হোসেনের মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এ বদলি
আদালতে ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া ইনুর সাক্ষাৎকার ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সাক্ষাৎকারে ইনু কোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেননি এবং তিনি কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গেই একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, ইনু আওয়ামী লীগ সরকার বা কোনো পক্ষকে সমর্থন করে বক্তব্য দেননি; বরং ব্যর্থতা ও ভুলগুলোর সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ করেছেন, যা অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে না।
আরও পড়ুন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারের নির্দেশেই ইন্টারনেট বন্ধ ছিল: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য
অন্যদিকে, প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে—২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছয়জনকে হত্যাসহ বিভিন্ন পর্যায়ে উস্কানি, ষড়যন্ত্র, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে সমর্থন এবং নিপীড়নমূলক কৌশলে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। মামলায় মোট ৮টি অভিযোগ আনা হয়েছে এবং ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন