জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সরকারের সিদ্ধান্তে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়েছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় একজন সাক্ষী এ তথ্য দিয়েছেন। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাক্ষ্য দেন ইমদাদুল হক মোল্লা। এ সময় পলাতক আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। অপরদিকে কারাগারে থাকা জুনায়েদ আহমেদ পলককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
আরও পড়ুন, আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার
জবানবন্দিতে ইমদাদুল হক মোল্লা জানান, তিনি অন্টিমেক্স কমিউনিকেশন লিমিটেড নামের ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এবং ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই মহাখালীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের দিন বিকেল ৪টা থেকে আংশিকভাবে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হতে শুরু করে। রাত ৯টার পর সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন, টিউলিপ রিজওয়ানা ও সরদার মোশাররফ হোসেনের মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এ বদলি
ইন্টারনেট সেবা বন্ধের কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, আইসিটি বিভাগ থেকে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা নিশ্চিত হন যে, সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়েছিল। ইমদাদুল আরও বলেন, ২৩ জুলাই তৎকালীন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তারা ইন্টারনেট চালুর অনুরোধ জানান। জবাবে প্রতিমন্ত্রী সেদিনই সেবা চালুর আশ্বাস দেন এবং ডাটা সেন্টারে আগুন লাগার কথা উল্লেখ করেন। তবে সাক্ষীর দাবি, এটি রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল কারণ আগুন লেগেছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে, কোনো ডাটা সেন্টারে নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভবনের বাইরে কিছু ফাইবার অপটিক ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশে থাকা অন্যান্য ডাটা সেন্টার দিয়ে ইন্টারনেট সেবা চালু রাখা সম্ভব ছিল।
বিষয় : ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ ইন্টারনেট সাক্ষ্য

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সরকারের সিদ্ধান্তে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়েছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় একজন সাক্ষী এ তথ্য দিয়েছেন। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাক্ষ্য দেন ইমদাদুল হক মোল্লা। এ সময় পলাতক আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। অপরদিকে কারাগারে থাকা জুনায়েদ আহমেদ পলককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
আরও পড়ুন, আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় বৃহস্পতিবার
জবানবন্দিতে ইমদাদুল হক মোল্লা জানান, তিনি অন্টিমেক্স কমিউনিকেশন লিমিটেড নামের ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক এবং ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই মহাখালীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের দিন বিকেল ৪টা থেকে আংশিকভাবে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হতে শুরু করে। রাত ৯টার পর সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন, টিউলিপ রিজওয়ানা ও সরদার মোশাররফ হোসেনের মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এ বদলি
ইন্টারনেট সেবা বন্ধের কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, আইসিটি বিভাগ থেকে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা নিশ্চিত হন যে, সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়েছিল। ইমদাদুল আরও বলেন, ২৩ জুলাই তৎকালীন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে তারা ইন্টারনেট চালুর অনুরোধ জানান। জবাবে প্রতিমন্ত্রী সেদিনই সেবা চালুর আশ্বাস দেন এবং ডাটা সেন্টারে আগুন লাগার কথা উল্লেখ করেন। তবে সাক্ষীর দাবি, এটি রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল কারণ আগুন লেগেছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে, কোনো ডাটা সেন্টারে নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভবনের বাইরে কিছু ফাইবার অপটিক ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশে থাকা অন্যান্য ডাটা সেন্টার দিয়ে ইন্টারনেট সেবা চালু রাখা সম্ভব ছিল।

আপনার মতামত লিখুন