ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না—এমন কড়া অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তির ৯৯ শতাংশই নির্ভর করছে দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত রাখার ওপর।
তিনি আরও জানান, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের কোনো ধরনের ‘টোল বুথ’ বা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে আছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
ট্রাম্প বলেন, একটি কার্যকর চুক্তি হলে প্রণালীটি স্বাভাবিকভাবেই খুলে যাবে এবং বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে।
এদিকে, জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ-এর নেতৃত্বে ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমার পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তির মূল শর্তই হবে দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত রাখা।
ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালীতে ইরান যদি জাহাজ চলাচলের ওপর কোনো ধরনের শুল্ক বা নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করে, তা যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
বর্তমানে এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যার ফলে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়েছে। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন যেখানে শতাধিক জাহাজ চলাচল করত, সেখানে এখন তা অনেক কমে গেছে এবং শত শত জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে আছে।
এদিকে, শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে জেডি ভ্যান্স এবং মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ-এর নেতৃত্বে ইসলামাবাদে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনার ফলাফল শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং ভূরাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না—এমন কড়া অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তির ৯৯ শতাংশই নির্ভর করছে দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত রাখার ওপর।
তিনি আরও জানান, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের কোনো ধরনের ‘টোল বুথ’ বা শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে আছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
ট্রাম্প বলেন, একটি কার্যকর চুক্তি হলে প্রণালীটি স্বাভাবিকভাবেই খুলে যাবে এবং বিশ্ববাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে।
এদিকে, জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ-এর নেতৃত্বে ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমার পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তির মূল শর্তই হবে দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত রাখা।
ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালীতে ইরান যদি জাহাজ চলাচলের ওপর কোনো ধরনের শুল্ক বা নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করে, তা যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
বর্তমানে এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যার ফলে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হয়েছে। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন যেখানে শতাধিক জাহাজ চলাচল করত, সেখানে এখন তা অনেক কমে গেছে এবং শত শত জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে আছে।
এদিকে, শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে জেডি ভ্যান্স এবং মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ-এর নেতৃত্বে ইসলামাবাদে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনার ফলাফল শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং ভূরাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

আপনার মতামত লিখুন