দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

দেশে ইউনিট বেড়েছে ৫০% বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগ হ্রাস

দেশে ইউনিট বেড়েছে ৫০% বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগ হ্রাস
বাংলাদেশে গত এক দশকে অর্থনৈতিক ইউনিট বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য

বাংলাদেশে গত এক দশকে অর্থনৈতিক ইউনিট বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি এখনও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ওপর নির্ভরশীল। প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ কমে গেছে ৮৮ শতাংশ এবং বিদেশি ও যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানেও হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে।অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়, ২০১৩ সালে দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ছিল ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫, যা ২০২৪ সালে বেড়ে এক কোটি ১৭ লাখ দুই হাজার ৭৯২-এ পৌঁছেছে। একই সময়ে এই ইউনিটে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ২৫.০৩ শতাংশ বেড়ে তিন কোটি ছয় লাখ ৩২ হাজার ৬৬১ জনে দাঁড়িয়েছে।


আরো পড়ুন , ৬ দিনে ৬৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা


প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের মোট ইউনিটের ৫৬.৬৭ শতাংশ ক্ষুদ্র শিল্প এবং ৩৮.৭৪ শতাংশ কুটির শিল্প। অর্থাৎ সংখ্যার দিক থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এছাড়া ৯০ শতাংশ ইউনিটই সেবা খাতে অন্তর্ভুক্ত।বিনিয়োগ কাঠামোতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ২০১৩ সালে যেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ১,৯৪২টি প্রতিষ্ঠান ছিল, ২০২৪ সালে তা কমে ২২২টিতে নেমেছে। কর্মসংস্থান কমেছে ১১,৩৯৫ থেকে ৪,১৪৮ জনে। বিদেশি ও যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে (১,৬৪৪ থেকে ১,৮৩৩), তবে কর্মসংস্থান কমেছে প্রায় ২৪.৫ শতাংশ।গ্রাম ও শহরের পার্থক্যও প্রতিফলিত হয়েছে। গ্রামে ৭৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮২৮ ইউনিট থাকলেও কর্মসংস্থানে শহরের গুরুত্ব বাড়ছে।

বিষয় : চূড়ান্ত বিনিয়োগ নির্ভরশীল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


দেশে ইউনিট বেড়েছে ৫০% বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগ হ্রাস

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে গত এক দশকে অর্থনৈতিক ইউনিট বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি এখনও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ওপর নির্ভরশীল। প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগ কমে গেছে ৮৮ শতাংশ এবং বিদেশি ও যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানেও হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে।অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়, ২০১৩ সালে দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ছিল ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫, যা ২০২৪ সালে বেড়ে এক কোটি ১৭ লাখ দুই হাজার ৭৯২-এ পৌঁছেছে। একই সময়ে এই ইউনিটে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ২৫.০৩ শতাংশ বেড়ে তিন কোটি ছয় লাখ ৩২ হাজার ৬৬১ জনে দাঁড়িয়েছে।


আরো পড়ুন , ৬ দিনে ৬৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা


প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের মোট ইউনিটের ৫৬.৬৭ শতাংশ ক্ষুদ্র শিল্প এবং ৩৮.৭৪ শতাংশ কুটির শিল্প। অর্থাৎ সংখ্যার দিক থেকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এছাড়া ৯০ শতাংশ ইউনিটই সেবা খাতে অন্তর্ভুক্ত।বিনিয়োগ কাঠামোতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ২০১৩ সালে যেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ১,৯৪২টি প্রতিষ্ঠান ছিল, ২০২৪ সালে তা কমে ২২২টিতে নেমেছে। কর্মসংস্থান কমেছে ১১,৩৯৫ থেকে ৪,১৪৮ জনে। বিদেশি ও যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে (১,৬৪৪ থেকে ১,৮৩৩), তবে কর্মসংস্থান কমেছে প্রায় ২৪.৫ শতাংশ।গ্রাম ও শহরের পার্থক্যও প্রতিফলিত হয়েছে। গ্রামে ৭৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮২৮ ইউনিট থাকলেও কর্মসংস্থানে শহরের গুরুত্ব বাড়ছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত