বেইলি রোডের আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে। এই অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে যে, বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারীরা পেনাল কোডের সাতটি ধারার অপরাধ করেছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লিখিত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন চায়ের চুমুক কফিশপের স্বত্বাধিকারী আনোয়ারুল হক, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী মো. রমজানুল হক নিহাদ, কাচ্চি ভাই, খানাজ এবং তাওয়াজ রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল সিরাজ এবং অন্যান্য রেস্টুরেন্টের মালিক ও ম্যানেজাররা।
আরও পড়ুন, ২০২৬-২৭ সালের ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভোটের তারিখ ঘোষণা
এছাড়াও স্পেস মালিক এ কে নাসিম হায়দার ও ক্যাপ্টেন সরদার মো. মিজানুর রহমানকে মৃত্যুবরণ করায় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হলেও মো. আনোয়ার হোসেন সুমন এবং শফিকুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টার দিকে গ্রীন কোজি কটেজ সাততলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রাণ যায় ৪৬ জনের। এ ঘটনায় রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম মামলা দায়ের করেন। থানা পুলিশের হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি পুলিশ।
বিষয় : মামলা সিআইডি অগ্নিকাণ্ড অভিযোগপত্র

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
বেইলি রোডের আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে। এই অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে যে, বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারীরা পেনাল কোডের সাতটি ধারার অপরাধ করেছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লিখিত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন চায়ের চুমুক কফিশপের স্বত্বাধিকারী আনোয়ারুল হক, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী মো. রমজানুল হক নিহাদ, কাচ্চি ভাই, খানাজ এবং তাওয়াজ রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল সিরাজ এবং অন্যান্য রেস্টুরেন্টের মালিক ও ম্যানেজাররা।
আরও পড়ুন, ২০২৬-২৭ সালের ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভোটের তারিখ ঘোষণা
এছাড়াও স্পেস মালিক এ কে নাসিম হায়দার ও ক্যাপ্টেন সরদার মো. মিজানুর রহমানকে মৃত্যুবরণ করায় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হলেও মো. আনোয়ার হোসেন সুমন এবং শফিকুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টার দিকে গ্রীন কোজি কটেজ সাততলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রাণ যায় ৪৬ জনের। এ ঘটনায় রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম মামলা দায়ের করেন। থানা পুলিশের হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন