দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ইরাক: মেক্সিকোর মাটিতে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ইরাক: মেক্সিকোর মাটিতে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি
চার দশক পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে ইরাক

চার দশক পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে ইরাক। আর এই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির সাক্ষী সেই পুরনো জায়গা—মেক্সিকো।১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন পূরণ করেছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। সেই স্মৃতিমাখা মেক্সিকোতেই এবার আবার বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করল ‘লায়ন্স অব মেসোপটেমিয়া’।বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে মন্তেরিও স্টেডিয়ামে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফের ফাইনালে বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় ইরাক।


ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইরাক। ১৮ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে নিখুঁত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আলি আল হামাদি।তবে হাল ছাড়েনি বলিভিয়া। ৩৮ মিনিটে মইনেস পানিয়াগুয়ার গোলে ম্যাচে সমতা ফেরে।বিরতির পর আবারও ঘুরে দাঁড়ায় ইরাক। ৫৩ মিনিটে বদলি খেলোয়াড়ের ক্রস থেকে অধিনায়ক আয়মেন হুসেইন করেন জয়সূচক গোল—যা নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের টিকিট।ম্যাচ শেষে মেক্সিকোর দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কাউবয় হ্যাট পরে উদযাপন 

করেন ইরাকি অধিনায়ক—যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের জন্য এই জয় শুধু একটি ফুটবল সাফল্য নয়, এটি একটি আবেগ, একটি আশা। বাগদাদের রাস্তায় নেমে উদযাপন করেন হাজারো সমর্থক।বিশ্বকাপে ইরাককে খেলতে হবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মাটিতে—নরওয়ে, ফ্রান্স ও সেনেগালের বিপক্ষে কঠিন গ্রুপে।কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড বলেন, “এই জয় আমাদের লড়াইয়ের প্রতিফলন। আমরা শুধু একটি ম্যাচ জিতিনি, আমরা একটি জাতির আশা জিতেছি।”৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা—ইরাকের জন্য 

এটি শুধুই একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, বরং ইতিহাস, আবেগ এবং সংগ্রামের প্রতীক।১৯৮৬ সালে মেক্সিকোতেই প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেয় ইরাক। সেই স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এলো একই মাটিতে। মন্তেরিও স্টেডিয়ামে বলিভিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে তারা।যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দীর্ঘদিনের সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পিছিয়ে পড়েছিল ইরাক। এমনকি প্লে-অফ ম্যাচ খেলতে যাওয়া নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা। ফিফার বিশেষ ব্যবস্থায় চার্টার্ড বিমানে করে দলটি মেক্সিকো 


আরো পড়ুন , জাম্বিয়ার বিপক্ষে ৫ গোলের পরে মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে আর্জেন্টিনা


পৌঁছায়।ম্যাচে ইরাকের লড়াকু মানসিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেও সমতা হারানোর পর দ্বিতীয়ার্ধে আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় তারা।এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক আয়মেন হুসেইন, যার গোলই নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের টিকিট।বিশ্লেষকদের মতে, এই জয় ইরাকের ফুটবলের নতুন যুগের সূচনা হতে পারে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে—সংকটের মাঝেও দৃঢ় মনোবল থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা—ইরাকের জন্য এটি শুধুই 

একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, বরং ইতিহাস, আবেগ এবং সংগ্রামের প্রতীক।১৯৮৬ সালে মেক্সিকোতেই প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেয় ইরাক। সেই স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এলো একই মাটিতে। মন্তেরিও স্টেডিয়ামে বলিভিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে তারা।যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দীর্ঘদিনের সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পিছিয়ে পড়েছিল ইরাক। এমনকি প্লে-অফ ম্যাচ খেলতে যাওয়া নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা। ফিফার বিশেষ ব্যবস্থায় চার্টার্ড বিমানে করে দলটি মেক্সিকো 

পৌঁছায়।ম্যাচে ইরাকের লড়াকু মানসিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেও সমতা হারানোর পর দ্বিতীয়ার্ধে আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় তারা।এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক আয়মেন হুসেইন, যার গোলই নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের টিকিট।বিশ্লেষকদের মতে, এই জয় ইরাকের ফুটবলের নতুন যুগের সূচনা হতে পারে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে—সংকটের মাঝেও দৃঢ় মনোবল থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।

বিষয় : চার দশক বিশ্বকাপের ফিরছে ইরাক

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ইরাক: মেক্সিকোর মাটিতে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

চার দশক পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে ইরাক। আর এই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির সাক্ষী সেই পুরনো জায়গা—মেক্সিকো।১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন পূরণ করেছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। সেই স্মৃতিমাখা মেক্সিকোতেই এবার আবার বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করল ‘লায়ন্স অব মেসোপটেমিয়া’।বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে মন্তেরিও স্টেডিয়ামে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফের ফাইনালে বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় ইরাক।


ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইরাক। ১৮ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে নিখুঁত হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আলি আল হামাদি।তবে হাল ছাড়েনি বলিভিয়া। ৩৮ মিনিটে মইনেস পানিয়াগুয়ার গোলে ম্যাচে সমতা ফেরে।বিরতির পর আবারও ঘুরে দাঁড়ায় ইরাক। ৫৩ মিনিটে বদলি খেলোয়াড়ের ক্রস থেকে অধিনায়ক আয়মেন হুসেইন করেন জয়সূচক গোল—যা নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের টিকিট।ম্যাচ শেষে মেক্সিকোর দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কাউবয় হ্যাট পরে উদযাপন 

করেন ইরাকি অধিনায়ক—যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের জন্য এই জয় শুধু একটি ফুটবল সাফল্য নয়, এটি একটি আবেগ, একটি আশা। বাগদাদের রাস্তায় নেমে উদযাপন করেন হাজারো সমর্থক।বিশ্বকাপে ইরাককে খেলতে হবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মাটিতে—নরওয়ে, ফ্রান্স ও সেনেগালের বিপক্ষে কঠিন গ্রুপে।কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড বলেন, “এই জয় আমাদের লড়াইয়ের প্রতিফলন। আমরা শুধু একটি ম্যাচ জিতিনি, আমরা একটি জাতির আশা জিতেছি।”৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা—ইরাকের জন্য 

এটি শুধুই একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, বরং ইতিহাস, আবেগ এবং সংগ্রামের প্রতীক।১৯৮৬ সালে মেক্সিকোতেই প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেয় ইরাক। সেই স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এলো একই মাটিতে। মন্তেরিও স্টেডিয়ামে বলিভিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে তারা।যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দীর্ঘদিনের সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পিছিয়ে পড়েছিল ইরাক। এমনকি প্লে-অফ ম্যাচ খেলতে যাওয়া নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা। ফিফার বিশেষ ব্যবস্থায় চার্টার্ড বিমানে করে দলটি মেক্সিকো 


আরো পড়ুন , জাম্বিয়ার বিপক্ষে ৫ গোলের পরে মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে আর্জেন্টিনা


পৌঁছায়।ম্যাচে ইরাকের লড়াকু মানসিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেও সমতা হারানোর পর দ্বিতীয়ার্ধে আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় তারা।এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক আয়মেন হুসেইন, যার গোলই নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের টিকিট।বিশ্লেষকদের মতে, এই জয় ইরাকের ফুটবলের নতুন যুগের সূচনা হতে পারে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে—সংকটের মাঝেও দৃঢ় মনোবল থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা—ইরাকের জন্য এটি শুধুই 

একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, বরং ইতিহাস, আবেগ এবং সংগ্রামের প্রতীক।১৯৮৬ সালে মেক্সিকোতেই প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেয় ইরাক। সেই স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এলো একই মাটিতে। মন্তেরিও স্টেডিয়ামে বলিভিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে তারা।যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দীর্ঘদিনের সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক ফুটবলে পিছিয়ে পড়েছিল ইরাক। এমনকি প্লে-অফ ম্যাচ খেলতে যাওয়া নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা। ফিফার বিশেষ ব্যবস্থায় চার্টার্ড বিমানে করে দলটি মেক্সিকো 

পৌঁছায়।ম্যাচে ইরাকের লড়াকু মানসিকতা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেও সমতা হারানোর পর দ্বিতীয়ার্ধে আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় তারা।এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক আয়মেন হুসেইন, যার গোলই নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের টিকিট।বিশ্লেষকদের মতে, এই জয় ইরাকের ফুটবলের নতুন যুগের সূচনা হতে পারে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে—সংকটের মাঝেও দৃঢ় মনোবল থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত