বিরোধীদলীয় নেতা ও ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংবিধান সংস্কার আলোচনার জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের সমানসংখ্যক সদস্য নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা উচিত।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জুলাই সনদের ওপর আনা গুরুত্বপূর্ণ মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এ প্রস্তাব দেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সংবিধান ও আইন মানুষের জন্য, আইন কিংবা সংবিধানের জন্য মানুষ নয়।” তিনি দেশের অসংবিধানিক বা সংবিধানবহির্ভূত কাজের বিষয়েও উল্লেখ করেন এবং বলেন,
আরো পড়ুন , ‘জ্বালানি সংকট নেই’—সংসদে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে তীব্র হট্টগোল
এখন সংসদীয় সংকট না তৈরি করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিতর্কের জবাবে তিনি বলেন, গেজেট অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংস্কার পরিষদের সদস্য হবেন। সরকারি দলের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “এগুলোর ফর্মুলা তাদের হাতেই তৈরি হয়েছে, নিজের তৈরি জিনিসের স্ববিরোধিতা করা ঠিক হবে না।”ডা. শফিকুর রহমান আহ্বান জানান, সংবিধান সংস্কারের আলোচনাকে যৌক্তিক গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হোক। সরকারি ও বিরোধী উভয় পক্ষ থেকে সমানসংখ্যক সদস্য থাকলে সকল পক্ষ সমানভাবে মতামত দিতে পারবে।
বিষয় : প্রস্তাব সংবিধান বিরোধীদলীয় নেতা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
বিরোধীদলীয় নেতা ও ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংবিধান সংস্কার আলোচনার জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের সমানসংখ্যক সদস্য নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা উচিত।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জুলাই সনদের ওপর আনা গুরুত্বপূর্ণ মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এ প্রস্তাব দেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সংবিধান ও আইন মানুষের জন্য, আইন কিংবা সংবিধানের জন্য মানুষ নয়।” তিনি দেশের অসংবিধানিক বা সংবিধানবহির্ভূত কাজের বিষয়েও উল্লেখ করেন এবং বলেন,
আরো পড়ুন , ‘জ্বালানি সংকট নেই’—সংসদে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে তীব্র হট্টগোল
এখন সংসদীয় সংকট না তৈরি করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিতর্কের জবাবে তিনি বলেন, গেজেট অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংস্কার পরিষদের সদস্য হবেন। সরকারি দলের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “এগুলোর ফর্মুলা তাদের হাতেই তৈরি হয়েছে, নিজের তৈরি জিনিসের স্ববিরোধিতা করা ঠিক হবে না।”ডা. শফিকুর রহমান আহ্বান জানান, সংবিধান সংস্কারের আলোচনাকে যৌক্তিক গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হোক। সরকারি ও বিরোধী উভয় পক্ষ থেকে সমানসংখ্যক সদস্য থাকলে সকল পক্ষ সমানভাবে মতামত দিতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন