ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পাহাড় অনন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক কাজিম উদ্দিন গড়ে তুলেছেন দৃষ্টিনন্দন সূর্যমুখী ফুলের বাগান। হলুদ রঙের ঝলমলে সূর্যমুখী ফুলে ছেয়ে গেছে পুরো ক্ষেত। ফুলগুলো আকাশের দিকে তাকিয়ে যেন হাঁসছে। গত ডিসেম্বরে বাড়ির আঙ্গিনায় প্রায় ২২ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ শুরু করেন কাজিম উদ্দিন। বর্তমানে বাগানজুড়ে শত শত ফুল ফুটে এক অপূর্ব সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে। বিকেলের সময় সূর্যের আলোয় ফুলগুলো দেখতে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের অভিযোগ নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন
বাগান মালিক কাজিম উদ্দিন মাষ্টার জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় কম খরচে এবং স্বল্প সময়ে সূর্যমুখী চাষ লাভজনক হওয়ায় তিনি এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এসময় তিনি সচেতন উদ্যোক্তাদের কৃষি অফিসের পরামর্শে সূর্যমুখী চাষ করার আহ্বান জানান। এছাড়াও মাস্টার বাড়ির মিশ্র ফল বাগানে রয়েছে, ত্রিশ জাতের বিদেশি আঙ্গুর গাছ, ৩৫ এরও বেশি জাতের বিদেশে আম, বারো মাসী সবুজ ভিয়েতনামি মাল্টা, বারো মাসী অস্ট্রেলিয়ান হলুদ মালটাসহ বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু সুমিষ্ট ফলের গাছ।
আরও পড়ুন, ফরিদপুরে থামছে না ফসলি জমি ধ্বংসের উৎসব
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নূর মোহাম্মদ বলেন, সারা ফুলবাড়িয়ায় এ বছর প্রায় ৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। কৃষকদের উপকরণ সহায়তার মাধ্যমে এর পরিধি বৃদ্ধিতে চেষ্টা করা হচ্ছে। সূর্যমুখী চাষ কৃষকদের জন্য সম্ভাবনাময় একটি ফসল। সঠিক পরিচর্যা ও পরামর্শ পেলে এ ফসল চাষ করে কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন। কৃষি অফিস বলছে, বর্তমানে দেশে ব্যবহৃত সূর্যমুখীর তেল প্রায় সম্পূর্ণই আমদানি নির্ভর। এই আমদানি নির্ভরতা কমানোর জন্য এবং দেশে উৎপাদিত সূর্যমুখী তেল পরিচিত করার চেষ্টার লক্ষেই সূর্যমুখী চাষে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পাহাড় অনন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক কাজিম উদ্দিন গড়ে তুলেছেন দৃষ্টিনন্দন সূর্যমুখী ফুলের বাগান। হলুদ রঙের ঝলমলে সূর্যমুখী ফুলে ছেয়ে গেছে পুরো ক্ষেত। ফুলগুলো আকাশের দিকে তাকিয়ে যেন হাঁসছে। গত ডিসেম্বরে বাড়ির আঙ্গিনায় প্রায় ২২ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ শুরু করেন কাজিম উদ্দিন। বর্তমানে বাগানজুড়ে শত শত ফুল ফুটে এক অপূর্ব সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে। বিকেলের সময় সূর্যের আলোয় ফুলগুলো দেখতে আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের অভিযোগ নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন
বাগান মালিক কাজিম উদ্দিন মাষ্টার জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় কম খরচে এবং স্বল্প সময়ে সূর্যমুখী চাষ লাভজনক হওয়ায় তিনি এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এসময় তিনি সচেতন উদ্যোক্তাদের কৃষি অফিসের পরামর্শে সূর্যমুখী চাষ করার আহ্বান জানান। এছাড়াও মাস্টার বাড়ির মিশ্র ফল বাগানে রয়েছে, ত্রিশ জাতের বিদেশি আঙ্গুর গাছ, ৩৫ এরও বেশি জাতের বিদেশে আম, বারো মাসী সবুজ ভিয়েতনামি মাল্টা, বারো মাসী অস্ট্রেলিয়ান হলুদ মালটাসহ বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু সুমিষ্ট ফলের গাছ।
আরও পড়ুন, ফরিদপুরে থামছে না ফসলি জমি ধ্বংসের উৎসব
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নূর মোহাম্মদ বলেন, সারা ফুলবাড়িয়ায় এ বছর প্রায় ৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। কৃষকদের উপকরণ সহায়তার মাধ্যমে এর পরিধি বৃদ্ধিতে চেষ্টা করা হচ্ছে। সূর্যমুখী চাষ কৃষকদের জন্য সম্ভাবনাময় একটি ফসল। সঠিক পরিচর্যা ও পরামর্শ পেলে এ ফসল চাষ করে কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন। কৃষি অফিস বলছে, বর্তমানে দেশে ব্যবহৃত সূর্যমুখীর তেল প্রায় সম্পূর্ণই আমদানি নির্ভর। এই আমদানি নির্ভরতা কমানোর জন্য এবং দেশে উৎপাদিত সূর্যমুখী তেল পরিচিত করার চেষ্টার লক্ষেই সূর্যমুখী চাষে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন