দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬

মাদারগঞ্জে বিএসটিআই অনুমোদনহীন কেমিক্যালযুক্ত শিশুখাদ্যে বাজার সয়লাব: ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

মাদারগঞ্জে বিএসটিআই অনুমোদনহীন কেমিক্যালযুক্ত শিশুখাদ্যে বাজার সয়লাব: ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

চকরিয়ায় অসহায়ের  পাশে -  জননেতা  আব্দুল্লাহ আল ফারুক

চকরিয়ায় অসহায়ের পাশে - জননেতা আব্দুল্লাহ আল ফারুক

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন  তালুকদার

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন তালুকদার

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপি নেতারা, হামলার বিচার ও নিরাপত্তার দাবি

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপি নেতারা, হামলার বিচার ও নিরাপত্তার দাবি

বড় বড় গর্তে বেহাল সড়ক, গংগাচড়ার বড়বিলে দুর্ভোগে দেড় হাজার মানুষ

বড় বড় গর্তে বেহাল সড়ক, গংগাচড়ার বড়বিলে দুর্ভোগে দেড় হাজার মানুষ

ফরিদপুরে থামছে না ফসলি জমি ধ্বংসের উৎসব

ফরিদপুরে থামছে না ফসলি জমি ধ্বংসের উৎসব
ফরিদপুরে থামছে না ফসলি জমি ধ্বংসের উৎসব

​ফরিদপুর জেলাজুড়ে ফসলি জমির বুক চিরে মাটি কেটে বিক্রির মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হলেও তা দমনে কোনো কার্যকর ভূমিকার দেখা মিলছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই জরিমানা এখন মাটিখেকো ব্যবসায়ীদের কাছে ‘অবৈধ কাজের লাইসেন্স’ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। একবার জরিমানা দিয়ে পরদিনই তারা দ্বিগুণ উৎসাহে পুনরায় মাটি কাটায় লিপ্ত হচ্ছে।

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রতিদিন প্রশাসনের অভিযান ও অর্থদণ্ডের খবর প্রচার হচ্ছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে চিত্র ভিন্ন। ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যে স্থানে গতকাল ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে, আজ সেখানেই আবারও বসানো হয়েছে ভেকু মেশিন (এক্সেভেটর)। ব্যবসায়ীরা জরিমানার অর্থকে ‘ব্যবসায়িক খরচ’ হিসেবে ধরে নিয়ে আগের চেয়ে বেশি হারে মাটি বিক্রি শুরু করছে।

​মাটি কাটার ফলে কেবল উর্বর কৃষিজমিই বিলীন হচ্ছে না, তৈরি হচ্ছে আরও বহুমুখী সংকট। রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি: ভারী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামীণ কাঁচা-পাকা রাস্তাগুলো ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। পরিবেশ দূষণ: মাটি পরিবহনের সময় বাতাসে ওড়া ধুলোবালিতে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে।​ দুর্ঘটনার ঝুঁকি: যত্রতত্র গভীর গর্ত তৈরি হওয়ায় এবং রাস্তায় কাদা-মাটি জমে থাকায় অহরহ ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা।

আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের অভিযোগ নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। মাটি কাটা বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—প্রশাসনের কঠোর অবস্থান কি কেবল অর্থদণ্ডেই সীমাবদ্ধ? তারা কি এই সিন্ডিকেটকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে অক্ষম, নাকি কোনো প্রভাবশালী মহলের অদৃশ্য ইশারায় এই কার্যক্রম চলছে?

আরও পড়ুন, মহিলা দলের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, কৃষিজমি রক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কেবল জরিমানা নয়, মাটি কাটার সরঞ্জাম জব্দসহ দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায়, অচিরেই জেলার উর্বর ফসলি জমি জলাশয়ে পরিণত হবে এবং খাদ্য উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। জনগণ এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। 

বিষয় : দুর্ঘটনা অভিযান ফরিদপুর এক্সেভেটর ফসলি জমি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬


ফরিদপুরে থামছে না ফসলি জমি ধ্বংসের উৎসব

প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

​ফরিদপুর জেলাজুড়ে ফসলি জমির বুক চিরে মাটি কেটে বিক্রির মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হলেও তা দমনে কোনো কার্যকর ভূমিকার দেখা মিলছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই জরিমানা এখন মাটিখেকো ব্যবসায়ীদের কাছে ‘অবৈধ কাজের লাইসেন্স’ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। একবার জরিমানা দিয়ে পরদিনই তারা দ্বিগুণ উৎসাহে পুনরায় মাটি কাটায় লিপ্ত হচ্ছে।

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রতিদিন প্রশাসনের অভিযান ও অর্থদণ্ডের খবর প্রচার হচ্ছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে চিত্র ভিন্ন। ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যে স্থানে গতকাল ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে, আজ সেখানেই আবারও বসানো হয়েছে ভেকু মেশিন (এক্সেভেটর)। ব্যবসায়ীরা জরিমানার অর্থকে ‘ব্যবসায়িক খরচ’ হিসেবে ধরে নিয়ে আগের চেয়ে বেশি হারে মাটি বিক্রি শুরু করছে।

​মাটি কাটার ফলে কেবল উর্বর কৃষিজমিই বিলীন হচ্ছে না, তৈরি হচ্ছে আরও বহুমুখী সংকট। রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি: ভারী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামীণ কাঁচা-পাকা রাস্তাগুলো ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। পরিবেশ দূষণ: মাটি পরিবহনের সময় বাতাসে ওড়া ধুলোবালিতে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে।​ দুর্ঘটনার ঝুঁকি: যত্রতত্র গভীর গর্ত তৈরি হওয়ায় এবং রাস্তায় কাদা-মাটি জমে থাকায় অহরহ ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা।

আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের অভিযোগ নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। মাটি কাটা বন্ধ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—প্রশাসনের কঠোর অবস্থান কি কেবল অর্থদণ্ডেই সীমাবদ্ধ? তারা কি এই সিন্ডিকেটকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে অক্ষম, নাকি কোনো প্রভাবশালী মহলের অদৃশ্য ইশারায় এই কার্যক্রম চলছে?

আরও পড়ুন, মহিলা দলের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, কৃষিজমি রক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কেবল জরিমানা নয়, মাটি কাটার সরঞ্জাম জব্দসহ দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায়, অচিরেই জেলার উর্বর ফসলি জমি জলাশয়ে পরিণত হবে এবং খাদ্য উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। জনগণ এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত