বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন বিভাগের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে পরকীয়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী এনু মার্মা সমাজ ও আইনের কাছে ন্যায্য বিচার দাবি করেছেন। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, লামা বন বিভাগের কর্মচারী খেজারী মার্মা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ার পর থেকে নিয়মিতভাবে স্ত্রী এনু মার্মার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। তিনি প্রায়ই গভীর রাতে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে মারধরসহ বিভিন্নভাবে মানসিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন, কক্সবাজারে কাতার প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ লিফটের গর্তে
এনু মার্মা জানান, স্বামীর দীর্ঘদিনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে কয়েক বছর আগে তিনি বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন। তবে সুস্থ হওয়ার পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি, বরং তা আরও বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, খেজারী মার্মা সন্তানদেরও নিজের পক্ষে নিয়ে স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে অপমান ও নির্যাতন করেন। মারধরের কারণে তিনি বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন স্থানে বিচার চাইলেও তার স্বামী প্রভাব খাটিয়ে বিচার প্রক্রিয়া ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করেন এবং তাকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বলে অপমান করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন এনু মার্মা। এনু মার্মা বলেন, “আমাকে বারবার পাগল বলে অপমান করা হচ্ছে এবং মারধর করা হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আমি আবার আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে পারি।” তিনি সমাজ ও প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার এবং নিরাপত্তা দাবি করেছেন।
আরও পড়ুন, রমজানে চট্টগ্রামের বাজারে চলছে ‘ভেজাল ঘি’র রমরমা বাণিজ্য
নেত্রকোনায় অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৩
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩২৩ অনুযায়ী কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একইসঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত) অনুযায়ী নারীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনায় কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এছাড়া গার্হস্থ্য সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ অনুযায়ী পারিবারিক নির্যাতনের শিকার নারী আদালতের মাধ্যমে সুরক্ষা, ভরণপোষণ ও আইনি প্রতিকার চাইতে পারেন।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন বিভাগের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে পরকীয়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী এনু মার্মা সমাজ ও আইনের কাছে ন্যায্য বিচার দাবি করেছেন। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, লামা বন বিভাগের কর্মচারী খেজারী মার্মা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ার পর থেকে নিয়মিতভাবে স্ত্রী এনু মার্মার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। তিনি প্রায়ই গভীর রাতে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে মারধরসহ বিভিন্নভাবে মানসিক নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন, কক্সবাজারে কাতার প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ লিফটের গর্তে
এনু মার্মা জানান, স্বামীর দীর্ঘদিনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে কয়েক বছর আগে তিনি বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন। তবে সুস্থ হওয়ার পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি, বরং তা আরও বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, খেজারী মার্মা সন্তানদেরও নিজের পক্ষে নিয়ে স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে অপমান ও নির্যাতন করেন। মারধরের কারণে তিনি বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন স্থানে বিচার চাইলেও তার স্বামী প্রভাব খাটিয়ে বিচার প্রক্রিয়া ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করেন এবং তাকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ বলে অপমান করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন এনু মার্মা। এনু মার্মা বলেন, “আমাকে বারবার পাগল বলে অপমান করা হচ্ছে এবং মারধর করা হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আমি আবার আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে পারি।” তিনি সমাজ ও প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার এবং নিরাপত্তা দাবি করেছেন।
আরও পড়ুন, রমজানে চট্টগ্রামের বাজারে চলছে ‘ভেজাল ঘি’র রমরমা বাণিজ্য
নেত্রকোনায় অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৩
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩২৩ অনুযায়ী কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একইসঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত) অনুযায়ী নারীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনায় কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। এছাড়া গার্হস্থ্য সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ অনুযায়ী পারিবারিক নির্যাতনের শিকার নারী আদালতের মাধ্যমে সুরক্ষা, ভরণপোষণ ও আইনি প্রতিকার চাইতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন