সরকারি অস্থায়ী পজিশন জমিতে দোকান সংস্কারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাফিজুল ইসলাম ও পুলিশ সদস্য মোঃ রুবেল হোসেনের ওপর হামলা ও তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে অফিস সহকারী মোঃ হাসেন আলী নামে ও তার সহযোগীরা কর্তব্যরত ওই পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রুবেল হোসেনকে কেবল মারধরই করেননি, বরং তাকে চাকরিচ্যুত করার এবং প্রাণনাশের প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে জানা যায়, বিয়ারা ঘাট এলাকায় সরকারি অস্থায়ী পজিশন জমিতে হাফিজুল ইসলাম ও মোঃ রুবেল হোসেন তাদের নিজ পুরাতন দোকান সংস্কার করতে গেলে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে তাতে বাধা প্রদান করেন এবং ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন হাসেন আলী গং। মোঃ হাসেন আলী ৯ নং ওয়ার্ড কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। যে কারনে তার এলাকায় প্রভাবটা বেশি সেইসাথে আবার সরকারি চাকরিজীবী। তাই সেই চাঁদা না দেওয়ার কারণে দোকানপাট ভেঙেচুরে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা ক্ষতি সাধ করেন। এই নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে পুলিশ উপস্থিত হয়।
ঘটনাস্থলে কর্তব্যরত পুলিশ উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ করলে হাসেন আলী ও তার সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে তারা হাফিজুল ইসলাম ও পুলিশ সদস্য মোঃ রুবেল হোসেনের ওপর চড়াও হন এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা অত্যন্ত উদ্ধতভাবে ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তোর মতো কনস্টেবলের চাকরি আমরা খেয়ে দেবো, তোকে দুনিয়া থেকেও সরিয়ে দেবো।
আরও পড়ুন, চুরি-হারানো ফোন ফিরিয়ে দেওয়ার সফল অভিযান চালালো পুলিশ
ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্য জানান, তিনি কেবল তার অস্থায়ী নির্মিত দোকান নতুন সংস্কার করার জন্য সেখানে যান। কিন্তু কোনো উস্কানি ছাড়াই হাসেন আলী ও তার লোকজন তার ওপর হামলা চালায় এবং তাকে মানসিকভাবে হেনস্তা করে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একজন পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা ও হুমকি প্রদানের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
সরকারি অস্থায়ী পজিশন জমিতে দোকান সংস্কারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাফিজুল ইসলাম ও পুলিশ সদস্য মোঃ রুবেল হোসেনের ওপর হামলা ও তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে অফিস সহকারী মোঃ হাসেন আলী নামে ও তার সহযোগীরা কর্তব্যরত ওই পুলিশ কনস্টেবল মোঃ রুবেল হোসেনকে কেবল মারধরই করেননি, বরং তাকে চাকরিচ্যুত করার এবং প্রাণনাশের প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে জানা যায়, বিয়ারা ঘাট এলাকায় সরকারি অস্থায়ী পজিশন জমিতে হাফিজুল ইসলাম ও মোঃ রুবেল হোসেন তাদের নিজ পুরাতন দোকান সংস্কার করতে গেলে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে তাতে বাধা প্রদান করেন এবং ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন হাসেন আলী গং। মোঃ হাসেন আলী ৯ নং ওয়ার্ড কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। যে কারনে তার এলাকায় প্রভাবটা বেশি সেইসাথে আবার সরকারি চাকরিজীবী। তাই সেই চাঁদা না দেওয়ার কারণে দোকানপাট ভেঙেচুরে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা ক্ষতি সাধ করেন। এই নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে পুলিশ উপস্থিত হয়।
ঘটনাস্থলে কর্তব্যরত পুলিশ উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ করলে হাসেন আলী ও তার সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে তারা হাফিজুল ইসলাম ও পুলিশ সদস্য মোঃ রুবেল হোসেনের ওপর চড়াও হন এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা অত্যন্ত উদ্ধতভাবে ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তোর মতো কনস্টেবলের চাকরি আমরা খেয়ে দেবো, তোকে দুনিয়া থেকেও সরিয়ে দেবো।
আরও পড়ুন, চুরি-হারানো ফোন ফিরিয়ে দেওয়ার সফল অভিযান চালালো পুলিশ
ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্য জানান, তিনি কেবল তার অস্থায়ী নির্মিত দোকান নতুন সংস্কার করার জন্য সেখানে যান। কিন্তু কোনো উস্কানি ছাড়াই হাসেন আলী ও তার লোকজন তার ওপর হামলা চালায় এবং তাকে মানসিকভাবে হেনস্তা করে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একজন পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা ও হুমকি প্রদানের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন