কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, জনগণ বিনাপয়সায় ভোট দিয়ে এমপি বানিয়েছেন। নির্বাচনে একটি পয়সাও আমি খরচ করি নাই। এখন জনগণকে বিনাপয়সায় সেবা দেব। আমার এলাকার বাসিন্দাদের কোথাও মৌলিক সেবা পেতে হয়রানি হতে দেব না। মানুষ আমার কাছে প্রত্যাশা করেন। আমি তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব। বুধবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রাকিবুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।
হাসনাত বলেন, মাটিখেকোরা মাটি কাটার আগে পুলিশকে জানায় ‘আমরা এই সময় থেকে ওই সময় পর্যন্ত মাটি কাটব’ এসিল্যান্ড-ইউএনও স্পটে যেতে যেতে পুলিশ আবার তাদের সচেতন করে দেয়। তখন স্পটে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায় না। তাদের যদি এক লাখ দুই লাখ টাকা জরিমানাও করা হয় এটা তারা ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে ধরে নেয়।
আরো পড়ুন , রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিশংসন ও গ্রেফতার দাবি নাহিদ ইসলামের
এই খরচটা তাদের গায়েই লাগে না। আমি বলব সমঝোতার ভিত্তিতেই গোমতী নদী থেকে মাটি কাটা হচ্ছে। এতে থানা পুলিশের কিছু সদস্য জড়িত আছে।তিনি বলেন, আমি গতকাল রাতে গোমতী নদীর বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখেছি। আমি যাওয়ার খবর তারা আগেই পেয়ে যায়। কাল কেউ মাটি কাটার সাহস করেনি।
প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি- দেবিদ্বারে যে পাঁচটি স্পট থেকে মাটি কাটা হয় ওই পাঁচটি স্পটের মধ্যে একটি স্পটেও যেন আর এক কোদাল মাটি কাটা না হয়। যদি এক কোদাল মাটি কাটা হয় সেক্ষেত্রে আপনারা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। না হলে আমি ধরে নেব- আপনারা প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলেই তারা মাটি কাটার সুযোগ পাচ্ছে। আমি মনে করি পুলিশের ভূমিকা এখানে খুবই জরুরি। আপনারা প্রয়োজনীয় দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেবেন।
বিষয় : প্রত্যাশা প্রতিশ্রুতি বিনাপয়সা প্রত্যাশা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, জনগণ বিনাপয়সায় ভোট দিয়ে এমপি বানিয়েছেন। নির্বাচনে একটি পয়সাও আমি খরচ করি নাই। এখন জনগণকে বিনাপয়সায় সেবা দেব। আমার এলাকার বাসিন্দাদের কোথাও মৌলিক সেবা পেতে হয়রানি হতে দেব না। মানুষ আমার কাছে প্রত্যাশা করেন। আমি তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব। বুধবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রাকিবুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।
হাসনাত বলেন, মাটিখেকোরা মাটি কাটার আগে পুলিশকে জানায় ‘আমরা এই সময় থেকে ওই সময় পর্যন্ত মাটি কাটব’ এসিল্যান্ড-ইউএনও স্পটে যেতে যেতে পুলিশ আবার তাদের সচেতন করে দেয়। তখন স্পটে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায় না। তাদের যদি এক লাখ দুই লাখ টাকা জরিমানাও করা হয় এটা তারা ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে ধরে নেয়।
আরো পড়ুন , রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিশংসন ও গ্রেফতার দাবি নাহিদ ইসলামের
এই খরচটা তাদের গায়েই লাগে না। আমি বলব সমঝোতার ভিত্তিতেই গোমতী নদী থেকে মাটি কাটা হচ্ছে। এতে থানা পুলিশের কিছু সদস্য জড়িত আছে।তিনি বলেন, আমি গতকাল রাতে গোমতী নদীর বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখেছি। আমি যাওয়ার খবর তারা আগেই পেয়ে যায়। কাল কেউ মাটি কাটার সাহস করেনি।
প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি- দেবিদ্বারে যে পাঁচটি স্পট থেকে মাটি কাটা হয় ওই পাঁচটি স্পটের মধ্যে একটি স্পটেও যেন আর এক কোদাল মাটি কাটা না হয়। যদি এক কোদাল মাটি কাটা হয় সেক্ষেত্রে আপনারা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। না হলে আমি ধরে নেব- আপনারা প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলেই তারা মাটি কাটার সুযোগ পাচ্ছে। আমি মনে করি পুলিশের ভূমিকা এখানে খুবই জরুরি। আপনারা প্রয়োজনীয় দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেবেন।

আপনার মতামত লিখুন