চট্টগ্রাম নগরীতে নিম্নমানের ও অনিবন্ধিত খাদ্যপণ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দুইটি সেমাই কারখানাকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নগরীর বাকলিয়া এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে আমান ফুড প্রোডাক্টস এবং রফিক ফুড প্রোডাক্টস নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আক্তার কণা।
অভিযানকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠান দুটি অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনিবন্ধিতভাবে নিম্নমানের সেমাই উৎপাদন করছে। পাশাপাশি খাদ্যপণ্যের মোড়কে নির্ধারিত নিয়ম না মেনে অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর লেবেল ব্যবহারসহ একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এসব অনিয়মের কারণে মালিকপক্ষকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩৯ ও ৪১ ধারায় মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযানে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এবং বাকলিয়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্তৃপক্ষ জানায়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীতে নিম্নমানের ও অনিবন্ধিত খাদ্যপণ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দুইটি সেমাই কারখানাকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নগরীর বাকলিয়া এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে আমান ফুড প্রোডাক্টস এবং রফিক ফুড প্রোডাক্টস নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা আক্তার কণা।
অভিযানকালে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠান দুটি অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনিবন্ধিতভাবে নিম্নমানের সেমাই উৎপাদন করছে। পাশাপাশি খাদ্যপণ্যের মোড়কে নির্ধারিত নিয়ম না মেনে অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর লেবেল ব্যবহারসহ একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এসব অনিয়মের কারণে মালিকপক্ষকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩৯ ও ৪১ ধারায় মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযানে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এবং বাকলিয়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্তৃপক্ষ জানায়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন