স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামী আলাদাভাবে প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলা মোটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। যদিও কিছুদিন আগে সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে প্রার্থী দিয়েছিল জামায়াত ও এনসিপি, যাকে তারা নির্বাচনি জোট বলে বর্ণনা করেছে।
সারজিস আলম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত জামায়াত তাদের জায়গা থেকে বলেছে তারা স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনের প্রস্তুতি এককভাবে নেওয়া শুরু করেছে। আমরা এনসিপিও আমাদের জায়গা থেকে স্থানীয় নির্বাচনের যে প্রস্তুতি আমরাও এককভাবে সেই প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছি।’তবে শেষ মুহূর্তে যদি মনে হয় ১১ দলীয় জোট একসাথে স্থানীয় নির্বাচন করতে পারে তখন সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সিটি করপোরেশনসহ সব স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনে এনসিপি দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করবে বলেও জানান সারজিস আলম।‘আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাংলাদেশের প্রত্যেকটি উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় আমরা আমাদের প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণা করতে চাই।
আরো পড়ুন , এনসিপি আমাকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হতে বলেছে: আসিফ মাহমুদ
১২টি সিটি করপোরেশন, ৪৯৫টি উপজেলা ও ৩৩০ টি যে পৌরসভা রয়েছে এনসিপি সেগুলোর দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করবে। ’এদিকে সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদেপ্রার্থী হওয়ার পূর্বাভাস পেয়েছেন। আসিফ বলেন, ‘দলের পক্ষ থেকে আমাকে প্রাথমিকভাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদ প্রার্থী হতে বলেছে। তবে এখনো চূড়ান্ত নয়।’
খুব তড়িঘড়ি করে ছয়টি সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই ধরনের নিয়োগ দেওয়ার কোনো বিধিবিধান গণঅভ্যুত্থানের আগে ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়ররা পালিয়ে যান এবং অনেক জায়গায় ফ্যাসিবাদের দোসররা সেই জায়গাগুলোতে বসে বসে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। তখন সরকার এই বিধানটা করে যে, সরকার চাইলে যে কাউকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সংগত কারণেই এই আইন থাকা সত্ত্বেও ব্যবহার করেনি। শুধু একটি জায়গায় সেটা ব্যবহৃত হয়েছে।’

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং জামায়াতে ইসলামী আলাদাভাবে প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলা মোটরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। যদিও কিছুদিন আগে সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে প্রার্থী দিয়েছিল জামায়াত ও এনসিপি, যাকে তারা নির্বাচনি জোট বলে বর্ণনা করেছে।
সারজিস আলম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত জামায়াত তাদের জায়গা থেকে বলেছে তারা স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনের প্রস্তুতি এককভাবে নেওয়া শুরু করেছে। আমরা এনসিপিও আমাদের জায়গা থেকে স্থানীয় নির্বাচনের যে প্রস্তুতি আমরাও এককভাবে সেই প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছি।’তবে শেষ মুহূর্তে যদি মনে হয় ১১ দলীয় জোট একসাথে স্থানীয় নির্বাচন করতে পারে তখন সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সিটি করপোরেশনসহ সব স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনে এনসিপি দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করবে বলেও জানান সারজিস আলম।‘আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বাংলাদেশের প্রত্যেকটি উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় আমরা আমাদের প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণা করতে চাই।
আরো পড়ুন , এনসিপি আমাকে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হতে বলেছে: আসিফ মাহমুদ
১২টি সিটি করপোরেশন, ৪৯৫টি উপজেলা ও ৩৩০ টি যে পৌরসভা রয়েছে এনসিপি সেগুলোর দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করবে। ’এদিকে সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদেপ্রার্থী হওয়ার পূর্বাভাস পেয়েছেন। আসিফ বলেন, ‘দলের পক্ষ থেকে আমাকে প্রাথমিকভাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদ প্রার্থী হতে বলেছে। তবে এখনো চূড়ান্ত নয়।’
খুব তড়িঘড়ি করে ছয়টি সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই ধরনের নিয়োগ দেওয়ার কোনো বিধিবিধান গণঅভ্যুত্থানের আগে ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়ররা পালিয়ে যান এবং অনেক জায়গায় ফ্যাসিবাদের দোসররা সেই জায়গাগুলোতে বসে বসে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে। তখন সরকার এই বিধানটা করে যে, সরকার চাইলে যে কাউকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার সংগত কারণেই এই আইন থাকা সত্ত্বেও ব্যবহার করেনি। শুধু একটি জায়গায় সেটা ব্যবহৃত হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন