সতীর্থরা কেউই সেভাবে সঙ্গ দিতে না পারলেও কঠিন পরিস্থিতিতে একাই দলকে টানলেন হ্যারি ব্রুক। গড়লেন অনন্য এক কীর্তি। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে তুললেন সেমিফাইনালে। ম্যাচ শেষে তাই সেরা খেলোয়াড় বাছাইয়ে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীই রইল না।পাল্লেকেলেতে মঙ্গলবার সুপার এইটের ম্যাচে পাকিস্তানের ১৬৪ রান পাঁচ বল হাতে রেখে পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
১০ চার ও চার ছক্কায় ৫১ বলে ১০০ রান করে মূল ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক ব্রুক। ২ উইকেটের দারুণ এই জয়ে সেমিফাইনালও নিশ্চিত করে ফেলেছে ইংল্যান্ড এবং এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে আগে যা কখনও হয়নি, সেটাই করে দেখিয়েছেন ব্রুক। প্রথম অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে করেছেন সেঞ্চুরি। অধিনায়ক হিসেবে এই টুর্নামেন্টে আগের সর্বোচ্চ ছিল ক্রিস গেইলের ৯৮ রান, ২০১০ সালে ব্রিজটাউনে ভারতের বিপক্ষে ইনিংসটি খেলেছিলেন ক্যারিবিয়ান তারকা।
আরো পড়ুন , ভারতকে বাতিলের খাতায় ফেলা হবে বোকামি: ক্লার্ক
পাকিস্তানের সংগ্রহ নাগালের মধ্যে থাকলেও, রান তাড়ায় শুরুটা ভীষণ বাজে হয় ইংলিশদের। প্রথম বলেই ফিরে যান ফিল সল্ট। সেই ধাক্কা সামলে নিতে নিজেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ব্রুক; ব্যাট হাতে নেমে পড়েন তিন নম্বরে, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে যে পজিশনে আগে কখনও খেলেননি তিনি। প্রথম ওভারে দেখে-শুনে খেলেন। পরের ওভারে সালমান মির্জাকে একটি করে চার ও ছক্কা মারেন। তৃতীয় ওভারে আরেকটি উইকেটের পতন, ব্যর্থতার ধারা লম্বা করে ফিরে যান জস বাটলার।
পরের ওভারে দুটি বল খেলে একটি বাউন্ডারিসহ পাঁচ রান নেন ব্রুক। টিকতে পারেননি জ্যাকব বেথেলও, পঞ্চম ওভারে সাজঘরে ফেরেন তিনি। পাঁচ ওভারে ৩৬ রানে তিন উইকেট হারিয়ে তখন বেশ বিপদে ইংল্যান্ড। তবে ষষ্ঠ ওভারে নাওয়াজকে দুটি চার ও একটি ছক্কা মেরে চাপ সরিয়ে দেন ব্রুক। তবে সেই সুবিধা তার সতীর্থরা নিতে পারেনি, উইকেট তাই পড়তেই থাকে। কিন্তু ব্রুক মনোযোগ হারাননি। ২৮ বলে ফিফটি ছুঁয়ে এগিয়ে যান, দলকে এগিয়ে নেন জয়ের পথে।
বিষয় : বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টি সেমিফাইনাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সতীর্থরা কেউই সেভাবে সঙ্গ দিতে না পারলেও কঠিন পরিস্থিতিতে একাই দলকে টানলেন হ্যারি ব্রুক। গড়লেন অনন্য এক কীর্তি। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে তুললেন সেমিফাইনালে। ম্যাচ শেষে তাই সেরা খেলোয়াড় বাছাইয়ে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীই রইল না।পাল্লেকেলেতে মঙ্গলবার সুপার এইটের ম্যাচে পাকিস্তানের ১৬৪ রান পাঁচ বল হাতে রেখে পেরিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
১০ চার ও চার ছক্কায় ৫১ বলে ১০০ রান করে মূল ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক ব্রুক। ২ উইকেটের দারুণ এই জয়ে সেমিফাইনালও নিশ্চিত করে ফেলেছে ইংল্যান্ড এবং এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে আগে যা কখনও হয়নি, সেটাই করে দেখিয়েছেন ব্রুক। প্রথম অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে করেছেন সেঞ্চুরি। অধিনায়ক হিসেবে এই টুর্নামেন্টে আগের সর্বোচ্চ ছিল ক্রিস গেইলের ৯৮ রান, ২০১০ সালে ব্রিজটাউনে ভারতের বিপক্ষে ইনিংসটি খেলেছিলেন ক্যারিবিয়ান তারকা।
আরো পড়ুন , ভারতকে বাতিলের খাতায় ফেলা হবে বোকামি: ক্লার্ক
পাকিস্তানের সংগ্রহ নাগালের মধ্যে থাকলেও, রান তাড়ায় শুরুটা ভীষণ বাজে হয় ইংলিশদের। প্রথম বলেই ফিরে যান ফিল সল্ট। সেই ধাক্কা সামলে নিতে নিজেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ব্রুক; ব্যাট হাতে নেমে পড়েন তিন নম্বরে, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে যে পজিশনে আগে কখনও খেলেননি তিনি। প্রথম ওভারে দেখে-শুনে খেলেন। পরের ওভারে সালমান মির্জাকে একটি করে চার ও ছক্কা মারেন। তৃতীয় ওভারে আরেকটি উইকেটের পতন, ব্যর্থতার ধারা লম্বা করে ফিরে যান জস বাটলার।
পরের ওভারে দুটি বল খেলে একটি বাউন্ডারিসহ পাঁচ রান নেন ব্রুক। টিকতে পারেননি জ্যাকব বেথেলও, পঞ্চম ওভারে সাজঘরে ফেরেন তিনি। পাঁচ ওভারে ৩৬ রানে তিন উইকেট হারিয়ে তখন বেশ বিপদে ইংল্যান্ড। তবে ষষ্ঠ ওভারে নাওয়াজকে দুটি চার ও একটি ছক্কা মেরে চাপ সরিয়ে দেন ব্রুক। তবে সেই সুবিধা তার সতীর্থরা নিতে পারেনি, উইকেট তাই পড়তেই থাকে। কিন্তু ব্রুক মনোযোগ হারাননি। ২৮ বলে ফিফটি ছুঁয়ে এগিয়ে যান, দলকে এগিয়ে নেন জয়ের পথে।

আপনার মতামত লিখুন