ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শনিবার এমন তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
ব্লুমবার্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তার অগ্রাধিকার হলো ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। এটা খুবই কঠিন, তবে তিনি চেষ্টা করবেন। আমরা বর্তমানে সেটি করার চেষ্টা
আরো পড়ুন , সন্ত্রাসী কায়দায় বাইকারদের হামলা নাইজেরিয়ায় নিহত ৩২
’তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প এমন একজন নেতা যিনি যেকোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। এজন্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। রুবিও আরও বলেন, ‘আয়াতুল্লাহ খামেনি ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে আগামীকালই
প্রেসিডেন্ট বসতে রাজি আছেন। এটি তাদের সঙ্গে একমত হওয়ার কারণে নয়। ট্রাম্প মনে করেন, বিশ্বে সমস্যার সমাধান এইভাবেই হওয়া উচিত।’মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন,
মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় মার্কিন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার মোতায়েনের উদ্দেশ্য হলো ইরানের ওপর চাপ রাখা। তিনি জানান, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না, কারণ এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শনিবার এমন তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
ব্লুমবার্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তার অগ্রাধিকার হলো ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো। এটা খুবই কঠিন, তবে তিনি চেষ্টা করবেন। আমরা বর্তমানে সেটি করার চেষ্টা
আরো পড়ুন , সন্ত্রাসী কায়দায় বাইকারদের হামলা নাইজেরিয়ায় নিহত ৩২
’তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প এমন একজন নেতা যিনি যেকোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। এজন্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। রুবিও আরও বলেন, ‘আয়াতুল্লাহ খামেনি ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে আগামীকালই
প্রেসিডেন্ট বসতে রাজি আছেন। এটি তাদের সঙ্গে একমত হওয়ার কারণে নয়। ট্রাম্প মনে করেন, বিশ্বে সমস্যার সমাধান এইভাবেই হওয়া উচিত।’মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন,
মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় মার্কিন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার মোতায়েনের উদ্দেশ্য হলো ইরানের ওপর চাপ রাখা। তিনি জানান, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না, কারণ এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

আপনার মতামত লিখুন