দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সমালোচনার জবাবে নোংরামি থেকে দূরে থাকতে চাই : আসিফ মাহমুদ

সমালোচনার জবাবে নোংরামি থেকে দূরে থাকতে চাই : আসিফ মাহমুদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, “আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।(১৪ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে পরাজিত এক প্রার্থীকে ইঙ্গিত করেন। সাবেক এই উপদেষ্টা দাবি করেন, গত দেড় বছরে ক্রীড়া খাতে কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বাধার মুখে পড়েছেন সেই একজনের কাছ থেকে।ফুটবল ও ক্রিকেট বোর্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা, সার্চ কমিটির সদস্যকে ব্যবহার করে ফেডারেশন কার্যালয় দখলের উদ্যোগ এবং পরবর্তীতে মামলা পর্যন্ত করার ঘটনা ঘটেছে।

ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের ‘মাফিয়া চক্র’ সরিয়ে সংস্কার কার্যক্রম চালানো হয়েছে এবং এর সুফল ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। একই সঙ্গে স্পোর্টস মিডিয়ার একটি অংশকে ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও তোলেন তিনি।নিচে আসিফ মাহমুদের দেওয়া পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি। তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।


আরো পড়ুন , জামানত রক্ষা করতে পারলেন না হান্নান মাসউদের বাবা


গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। ঢাকা-১৬-তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিল না। প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলে, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সব কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকল। তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইল। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অথচ আমি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয়, সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

বিষয় : সমালোচনা প্রতিক্রিয়া নোংরামি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


সমালোচনার জবাবে নোংরামি থেকে দূরে থাকতে চাই : আসিফ মাহমুদ

প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, “আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।(১৪ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে পরাজিত এক প্রার্থীকে ইঙ্গিত করেন। সাবেক এই উপদেষ্টা দাবি করেন, গত দেড় বছরে ক্রীড়া খাতে কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বাধার মুখে পড়েছেন সেই একজনের কাছ থেকে।ফুটবল ও ক্রিকেট বোর্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা, সার্চ কমিটির সদস্যকে ব্যবহার করে ফেডারেশন কার্যালয় দখলের উদ্যোগ এবং পরবর্তীতে মামলা পর্যন্ত করার ঘটনা ঘটেছে।

ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের ‘মাফিয়া চক্র’ সরিয়ে সংস্কার কার্যক্রম চালানো হয়েছে এবং এর সুফল ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। একই সঙ্গে স্পোর্টস মিডিয়ার একটি অংশকে ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও তোলেন তিনি।নিচে আসিফ মাহমুদের দেওয়া পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি। তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।


আরো পড়ুন , জামানত রক্ষা করতে পারলেন না হান্নান মাসউদের বাবা


গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। ঢাকা-১৬-তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিল না। প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলে, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সব কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকল। তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইল। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অথচ আমি পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয়, সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত