জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদে সতর্ক, নীতিবান ও শান্তিপূর্ণ বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।(১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের আমির লেখেন, গত কয়েক মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করা অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনারা অনেকেই সময়, শ্রম ও বিশ্বাস উৎসর্গ করেছেন। কেউ কেউ শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের কারণে ভয়ভীতি ও হয়রানির মুখোমুখি হয়েছেন। আপনাদের সাহস আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করেছে।ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, আমি জানি, আপনাদের অনেকেই কষ্ট পাচ্ছেন এবং গভীরভাবে হতাশ। এটি স্বাভাবিক। যখন হৃদয় দিয়ে কোনো লক্ষ্যকে ধারণ করা হয়, তখন তার ফলাফলও গভীরভাবে অনুভূত হয়। তবে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—আপনাদের প্রচেষ্টা বৃথা যায়নি।
আরো পড়ুন , তরুণ নেতৃত্বের উত্থান সর্বকনিষ্ঠ এমপি হিসেবে শপথের পথে হান্নান মাসউদ
তিনি লেখেন, ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে রাজনীতির ভাগ্য পরিবর্তনশীল। ২০০৮ সালে বিএনপি ৩০টি আসনে নেমে এসেছিল, কিন্তু দীর্ঘ ১৮ বছরের পথ পেরিয়ে ২০২৬ সালে আবার সরকার গঠন করেছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতি দীর্ঘ পথের যাত্রা। আমাদের পথ স্পষ্ট—জনগণের আস্থা অর্জন করা, ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং দায়িত্বশীলভাবে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।জামায়াত আমির আরও লেখেন, যেকোনো প্রকৃত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা কেবল প্রচারণায় নয়, বরং জনগণের রায়কে কীভাবে গ্রহণ করা হয়, তাতেও নিহিত। শুরু থেকেই আমরা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছি। সেই অঙ্গীকার অটুট রয়েছে। আমরা সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান জানাই।
বিষয় : শান্তিপূর্ণ বিরোধীদল সংসদে সতর্ক

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদে সতর্ক, নীতিবান ও শান্তিপূর্ণ বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।(১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি।ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের আমির লেখেন, গত কয়েক মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করা অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনারা অনেকেই সময়, শ্রম ও বিশ্বাস উৎসর্গ করেছেন। কেউ কেউ শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের কারণে ভয়ভীতি ও হয়রানির মুখোমুখি হয়েছেন। আপনাদের সাহস আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করেছে।ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, আমি জানি, আপনাদের অনেকেই কষ্ট পাচ্ছেন এবং গভীরভাবে হতাশ। এটি স্বাভাবিক। যখন হৃদয় দিয়ে কোনো লক্ষ্যকে ধারণ করা হয়, তখন তার ফলাফলও গভীরভাবে অনুভূত হয়। তবে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—আপনাদের প্রচেষ্টা বৃথা যায়নি।
আরো পড়ুন , তরুণ নেতৃত্বের উত্থান সর্বকনিষ্ঠ এমপি হিসেবে শপথের পথে হান্নান মাসউদ
তিনি লেখেন, ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে রাজনীতির ভাগ্য পরিবর্তনশীল। ২০০৮ সালে বিএনপি ৩০টি আসনে নেমে এসেছিল, কিন্তু দীর্ঘ ১৮ বছরের পথ পেরিয়ে ২০২৬ সালে আবার সরকার গঠন করেছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতি দীর্ঘ পথের যাত্রা। আমাদের পথ স্পষ্ট—জনগণের আস্থা অর্জন করা, ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং দায়িত্বশীলভাবে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।জামায়াত আমির আরও লেখেন, যেকোনো প্রকৃত গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা কেবল প্রচারণায় নয়, বরং জনগণের রায়কে কীভাবে গ্রহণ করা হয়, তাতেও নিহিত। শুরু থেকেই আমরা একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছি। সেই অঙ্গীকার অটুট রয়েছে। আমরা সামগ্রিক ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান জানাই।

আপনার মতামত লিখুন