ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে গণসংযোগকালে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিএনপি ঐক্য জোটের মনোনীত প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘একটি দল জনসমর্থনের জোয়ার দেখে নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করছে।’ তিনি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকলে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং সফল হবে না, অন্যথায় বাঞ্ছারামপুরের মানুষ তার উপযুক্ত জবাব দেবে।’তিনি আরো বলেন, ‘বাঞ্ছারামপুর দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা, দুর্নীতি ও বৈষম্যের শিকার। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের সংকট আর চলতে দেওয়া যায় না।
মানুষ এখন পরিবর্তন, উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার চায়।’নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে তিনি বাঞ্ছারামপুরকে কেবল একটি উপজেলা নয়, একটি পরিকল্পিত ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আধুনিকায়ন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট দূর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ, সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন এবং যুবকদের কর্মসংস্থানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণের অর্থ লুটপাটের সুযোগ দেওয়া হবে না।আরো পড়ুন , ট্রাকচাপায় নওগাঁয় নিহত ৫ জনবাঞ্ছারামপুরকে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত ও বৈষম্যহীন জনপদে পরিণত করা হবে।’(৩০ জানুয়ারি) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পায়ে হেঁটে ডোর-টু-ডোর ভোট প্রার্থনা করেন জোনায়েদ সাকি। তিনি যেখানেই গেছেন, সেখানেই মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তা মিছিলে রূপ নেয়। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ভোটারদের বাড়ি—সবখানেই ছিল মানুষের ভিড়।ভোটারদের অনেকেই গণসংহতি আন্দোলনের প্রতীক ‘মাথাল’কে বিএনপির ধানের শীষের বিকল্প হিসেবে দেখছেন বলে জানান।বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বাঞ্ছারামপুর আসনে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে তার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। স্থানীয় বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘আমি বিএনপির একজন কর্মী। দল যে প্রার্থী দিয়েছে, তাকে আমরা সবাই মিলে বিপুল ভোটে বিজয়ী করব।’
আপনার মতামত লিখুন