আগামী সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও লুইস সান্তোস দা কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন।
রাষ্ট্রীয় ভোজসভা আর আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজের আড়ালে এই সফরের মূল লক্ষ্য এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ভারতের সঙ্গে ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া।
আরো পড়ুন , অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে প্রাণ গেল আরেক মার্কিন নাগরিকের
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন যখন ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর শুল্ক যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে এবং ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ নিয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে, ঠিক তখনই দিল্লি ও ব্রাসেলস তাদের দুই দশকের অমীমাংসিত বাণিজ্য আলোচনা সমাপ্ত করতে চলেছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রজাতন্ত্র দিবসে ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো ভারতের পক্ষ থেকে একটি শক্তিশালী বার্তা। এটি প্রমাণ করে যে, ভারত তার বৈদেশিক নীতিতে বৈচিত্র্য বজায় রাখছে এবং ওয়াশিংটনের খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের ওপর তারা নির্ভরশীল নয়।
লন্ডনভিত্তিক থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক চ্যাথাম হাউসের বিশেষজ্ঞ চিটিজি বাজপেয়ী বিবিসিকে বলেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে যে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের মুখেও তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান সুসংহত করতে সক্ষম। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল এই সম্ভাব্য চুক্তিকে ‘মাদার অব অল ডিল’ বা সব চুক্তির সেরা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বিষয় : চুক্তি ভারত–ইইউর প্রজাতন্ত্র

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
আগামী সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও লুইস সান্তোস দা কস্তা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন।
রাষ্ট্রীয় ভোজসভা আর আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজের আড়ালে এই সফরের মূল লক্ষ্য এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ভারতের সঙ্গে ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া।
আরো পড়ুন , অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে প্রাণ গেল আরেক মার্কিন নাগরিকের
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রশাসন যখন ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর শুল্ক যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে এবং ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ নিয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে, ঠিক তখনই দিল্লি ও ব্রাসেলস তাদের দুই দশকের অমীমাংসিত বাণিজ্য আলোচনা সমাপ্ত করতে চলেছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রজাতন্ত্র দিবসে ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো ভারতের পক্ষ থেকে একটি শক্তিশালী বার্তা। এটি প্রমাণ করে যে, ভারত তার বৈদেশিক নীতিতে বৈচিত্র্য বজায় রাখছে এবং ওয়াশিংটনের খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের ওপর তারা নির্ভরশীল নয়।
লন্ডনভিত্তিক থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক চ্যাথাম হাউসের বিশেষজ্ঞ চিটিজি বাজপেয়ী বিবিসিকে বলেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে যে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের মুখেও তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান সুসংহত করতে সক্ষম। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল এই সম্ভাব্য চুক্তিকে ‘মাদার অব অল ডিল’ বা সব চুক্তির সেরা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন