সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি ব্রিজের পুরাতন প্রায় ২৫ টন রড বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি মিথ্যা চুরির ঘটনা দেখিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জানা যায়, প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় আগে মথুরেশ ইউনিয়নের দুধলি ব্রিজ, তারালী ইউনিয়নের তারালী ব্রিজ এবং চাম্পাফুল ইউনিয়নের উজিরপুর ব্রিজের পুরাতন রড রাতারাতি ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর যোগসাজশে বিভিন্ন ভাঙারি ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়। মৌতলা বাজারের ভাঙারি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের কাছে দেড় লাখ টাকার রড বিক্রির তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
পরবর্তীতে বিষয়টি জেলা এলজিইডি কর্মকর্তার নজরে এলে পুরাতন রড নিলামের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, নিজের অপকর্ম আড়াল করতে উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন গত ২২ ডিসেম্বর একটি ভুয়া এস্টিমেট তৈরি করে সদ্য যোগদান করা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারকে ভুল বুঝিয়ে স্বাক্ষর করান। এরপর ২৯ ডিসেম্বর নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন, সেন্টমার্টিনে পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে চার প্রতিষ্ঠানের জরিমানা
নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেখে ১২ জন ঠিকাদার ১১ শত টাকা করে প্রায় ১৫ হাজার টাকার সিডিউল ক্রয় করেন। কিন্তু ব্রিজগুলো পরিদর্শনে গিয়ে কোথাও রডের অস্তিত্ব না পেয়ে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সিডিউলের টাকা ফেরতের দাবি জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন রড চুরির বিষয়টি স্বীকার করলেও, চুরি হওয়া রড দিয়ে কীভাবে এস্টিমেট ও নিলাম দেওয়া হলো—সে বিষয়ে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। পরে নিজের দায় এড়াতে গত ৬ জানুয়ারি কালিগঞ্জ থানায় একটি মিথ্যা চুরির জিডি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুরো উপজেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অতীতেও তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং একাধিকবার বিতর্কের মুখে পড়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি চুরির ঘটনায় জিডির বিষয়টি স্বীকার করেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি ব্রিজের পুরাতন প্রায় ২৫ টন রড বিক্রি করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তিনি মিথ্যা চুরির ঘটনা দেখিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জানা যায়, প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় আগে মথুরেশ ইউনিয়নের দুধলি ব্রিজ, তারালী ইউনিয়নের তারালী ব্রিজ এবং চাম্পাফুল ইউনিয়নের উজিরপুর ব্রিজের পুরাতন রড রাতারাতি ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর যোগসাজশে বিভিন্ন ভাঙারি ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়। মৌতলা বাজারের ভাঙারি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের কাছে দেড় লাখ টাকার রড বিক্রির তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
পরবর্তীতে বিষয়টি জেলা এলজিইডি কর্মকর্তার নজরে এলে পুরাতন রড নিলামের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, নিজের অপকর্ম আড়াল করতে উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন গত ২২ ডিসেম্বর একটি ভুয়া এস্টিমেট তৈরি করে সদ্য যোগদান করা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারকে ভুল বুঝিয়ে স্বাক্ষর করান। এরপর ২৯ ডিসেম্বর নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন, সেন্টমার্টিনে পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে চার প্রতিষ্ঠানের জরিমানা
নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেখে ১২ জন ঠিকাদার ১১ শত টাকা করে প্রায় ১৫ হাজার টাকার সিডিউল ক্রয় করেন। কিন্তু ব্রিজগুলো পরিদর্শনে গিয়ে কোথাও রডের অস্তিত্ব না পেয়ে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সিডিউলের টাকা ফেরতের দাবি জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন রড চুরির বিষয়টি স্বীকার করলেও, চুরি হওয়া রড দিয়ে কীভাবে এস্টিমেট ও নিলাম দেওয়া হলো—সে বিষয়ে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। পরে নিজের দায় এড়াতে গত ৬ জানুয়ারি কালিগঞ্জ থানায় একটি মিথ্যা চুরির জিডি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুরো উপজেলাজুড়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অতীতেও তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং একাধিকবার বিতর্কের মুখে পড়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি চুরির ঘটনায় জিডির বিষয়টি স্বীকার করেন।

আপনার মতামত লিখুন