আসন সমঝোতা না হওয়া, নতুন তিন দলকে জোটে আনার ক্ষেত্রে অন্যদের মতামত না নেওয়া, নিজেদের মধ্যে চাওয়া-পাওয়ার নিয়ে বৈঠক না করাসহ নানা কারণে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দলীয় জোটের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়ছে বলে। বাড়ছে ক্ষোভ ও হতাশা। দলগুলোর জোট সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রার্থিতার বৈধ, অবৈধ এবং আপিল ইস্যুতে এখন জোটের শরিক দলগুলো ব্যস্ত সময় পার করছে। তার মধ্যেও বেশিরভাগ দল চায় জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক করতে। কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে ব্যাটে-বলে মিলছে না বলে বৈঠক হয়ে উঠছে না।জোট নেতারা বলেছেন, শুধু জামায়াত নয়, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিসের সঙ্গেও আসন সমঝোতার ইস্যুতে বোঝাপড়ার অভাব আছে। কোনো অভিযোগ নেই জোটে আসা নতুন তিন দলÑ এনসিপি, এলডিপি ও এবি পার্টির। অবশ্য জামায়াতে ইসলামী দলের নেতারা মনে করেন, আসন সমঝোতার বিষয়টি প্রার্থিতা প্রত্যাহার (২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত সময় আছে। আর অন্য যেসব বিষয়ে অভিযোগ আছে, তাও আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধানের সুযোগ আছে।
আরো পড়ুন , নির্বাচনে সর্বোচ্চ পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
আট দলের সর্বশেষ বৈঠকের পর ইসলামী আন্দোলনকে ৩৫ থেকে ৪০টি, এনসিপিকে ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১১টি, খেলাফত মজলিসকে তিনটি, এবি পার্টিকে তিনটি, এলডিপিকে দুইটি এবং বিডিপিকে দুইটি আসন ছাড়ের কথা বলে জামায়াত ইসলামী। কিন্তু জোটে নতুন তিন দলকে আনা এবং আসন ছাড়ের ইস্যুকে ভালোভাবে নেয়নি জোটের নেতারা।জোটের বিভিন্ন দলের নেতারা মনে করেন, কোন আসনে কোন প্রার্থী দেওয়া দরকার, কোন দলের প্রার্থী দিলে জয়ী হবেন- এ বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রার্থী দেওয়া হয়নি। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিশেষ দলকে। এনসিপি, এলডিপি ও এবি পার্টিকে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে জামায়াত নিজের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিয়েছে। একজন নেতা আমাদের সময়কে বলেন, জোট বা নির্বাচনী সমঝোতার ধারণাটা প্রথম নিয়ে আসে ইসলামী আন্দোলন। তারপর এর সঙ্গে যোগ দেয় অন্যান্য দল। এক পর্যায়ে জামায়াত আসে। এখন তাদের দলের প্রার্থীর জন্য জামায়াতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করতে হয়, এটা দুঃখজনক।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
আসন সমঝোতা না হওয়া, নতুন তিন দলকে জোটে আনার ক্ষেত্রে অন্যদের মতামত না নেওয়া, নিজেদের মধ্যে চাওয়া-পাওয়ার নিয়ে বৈঠক না করাসহ নানা কারণে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দলীয় জোটের মধ্যে অবিশ্বাস বাড়ছে বলে। বাড়ছে ক্ষোভ ও হতাশা। দলগুলোর জোট সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রার্থিতার বৈধ, অবৈধ এবং আপিল ইস্যুতে এখন জোটের শরিক দলগুলো ব্যস্ত সময় পার করছে। তার মধ্যেও বেশিরভাগ দল চায় জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক করতে। কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে ব্যাটে-বলে মিলছে না বলে বৈঠক হয়ে উঠছে না।জোট নেতারা বলেছেন, শুধু জামায়াত নয়, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিসের সঙ্গেও আসন সমঝোতার ইস্যুতে বোঝাপড়ার অভাব আছে। কোনো অভিযোগ নেই জোটে আসা নতুন তিন দলÑ এনসিপি, এলডিপি ও এবি পার্টির। অবশ্য জামায়াতে ইসলামী দলের নেতারা মনে করেন, আসন সমঝোতার বিষয়টি প্রার্থিতা প্রত্যাহার (২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত সময় আছে। আর অন্য যেসব বিষয়ে অভিযোগ আছে, তাও আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধানের সুযোগ আছে।
আরো পড়ুন , নির্বাচনে সর্বোচ্চ পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন
আট দলের সর্বশেষ বৈঠকের পর ইসলামী আন্দোলনকে ৩৫ থেকে ৪০টি, এনসিপিকে ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১১টি, খেলাফত মজলিসকে তিনটি, এবি পার্টিকে তিনটি, এলডিপিকে দুইটি এবং বিডিপিকে দুইটি আসন ছাড়ের কথা বলে জামায়াত ইসলামী। কিন্তু জোটে নতুন তিন দলকে আনা এবং আসন ছাড়ের ইস্যুকে ভালোভাবে নেয়নি জোটের নেতারা।জোটের বিভিন্ন দলের নেতারা মনে করেন, কোন আসনে কোন প্রার্থী দেওয়া দরকার, কোন দলের প্রার্থী দিলে জয়ী হবেন- এ বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রার্থী দেওয়া হয়নি। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিশেষ দলকে। এনসিপি, এলডিপি ও এবি পার্টিকে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে জামায়াত নিজের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিয়েছে। একজন নেতা আমাদের সময়কে বলেন, জোট বা নির্বাচনী সমঝোতার ধারণাটা প্রথম নিয়ে আসে ইসলামী আন্দোলন। তারপর এর সঙ্গে যোগ দেয় অন্যান্য দল। এক পর্যায়ে জামায়াত আসে। এখন তাদের দলের প্রার্থীর জন্য জামায়াতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করতে হয়, এটা দুঃখজনক।

আপনার মতামত লিখুন