রাজনৈতিকভাবে বেশ চাপের মধ্যে পড়েছে নবগঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রথম ঘটনাটি ঘটে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য গঠনের মধ্য দিয়ে। ওই ঘটনার সূত্র ধরে এনসিপির কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা পদত্যাগ শুরু করেন। বর্তমানে এ পদত্যাগের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে গেছে-কেন্দ্রীয়সহ সারা দেশের এনসিপির পরিচিত মুখগুলোর প্রায় অধিকাংশ নেতাই পদত্যাগ করেছেন।এছাড়া দলের প্রধান নাহিদ ইসলামের হলফনামায় দেখানো আয় নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এনসিপি থেকে শীর্ষ নেতাদের চলে যাওয়া কিংবা পদত্যাগ, দলটির জন্য বিরাট ক্ষতি।
আরো পড়ুন , সাংবাদিক আনছারের বাসায় সালাহউদ্দিনের উপস্থিতি
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়াও জুলাই অভ্যুত্থানে সম্পৃক্ত যোদ্ধা, শহীদ পরিবার ও আহতদের অনেকেই বলছেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় যাওয়ার পর থেকেই একের পর এক কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরের শীর্ষ নেতারা পদত্যাগ করছেন। আবার দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই দলের এমন সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করে নির্বাচনি কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। জামায়াতের সঙ্গে জোট করাকে চরম আদর্শবিরোধী ও রাজনৈতিকভাবে ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ হিসাবে দেখছেন দলের একাংশ, যারা একের পর এক পদত্যাগ করছেন। অপরদিকে দলে থাকা শীর্ষ নেতাদের অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন।
বিষয় : পদত্যাগ নাগরিক পার্টি চাপ

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
রাজনৈতিকভাবে বেশ চাপের মধ্যে পড়েছে নবগঠিত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রথম ঘটনাটি ঘটে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য গঠনের মধ্য দিয়ে। ওই ঘটনার সূত্র ধরে এনসিপির কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা পদত্যাগ শুরু করেন। বর্তমানে এ পদত্যাগের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে গেছে-কেন্দ্রীয়সহ সারা দেশের এনসিপির পরিচিত মুখগুলোর প্রায় অধিকাংশ নেতাই পদত্যাগ করেছেন।এছাড়া দলের প্রধান নাহিদ ইসলামের হলফনামায় দেখানো আয় নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এনসিপি থেকে শীর্ষ নেতাদের চলে যাওয়া কিংবা পদত্যাগ, দলটির জন্য বিরাট ক্ষতি।
আরো পড়ুন , সাংবাদিক আনছারের বাসায় সালাহউদ্দিনের উপস্থিতি
এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়াও জুলাই অভ্যুত্থানে সম্পৃক্ত যোদ্ধা, শহীদ পরিবার ও আহতদের অনেকেই বলছেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় যাওয়ার পর থেকেই একের পর এক কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরের শীর্ষ নেতারা পদত্যাগ করছেন। আবার দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই দলের এমন সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করে নির্বাচনি কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। জামায়াতের সঙ্গে জোট করাকে চরম আদর্শবিরোধী ও রাজনৈতিকভাবে ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ হিসাবে দেখছেন দলের একাংশ, যারা একের পর এক পদত্যাগ করছেন। অপরদিকে দলে থাকা শীর্ষ নেতাদের অনেকেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন।

আপনার মতামত লিখুন