সাতক্ষীরা পৌর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) শর্মিষ্ঠা সরকারের বিরুদ্ধে ঘটনাস্থলে না গিয়ে ও কাগজপত্র না দেখে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে আদালতে মনগড়া প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের মৃত সেখ আলি আহম্মদের ছেলে সেখ ফারুক হোসেন এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২০২৫ সালের ১২ মার্চ ২৪১৩ নং রেজি: কোবলা মূলে দিলরুবা ইয়াসমিনের নিকট থেকে লাবসা মৌজার জেএল নং-৮৮ এবং ৪৪৫ নং খতিয়ানের ১৫৫৭ দাগের ৪.১১ শতক জমি ক্রয় করে ভোগ দখলীকার আছি। এছাড়া গত ১২ মার্চ দিলরুবা ইয়াসমিন আমার নামে মাগুরা গোপীনাথপুর মৌজার জেএল নং-৯০, এস এ ১৪৮২ খতিয়ানের ১৯.২৫ শতক জমি ১৯.২৫ শতক জমি পাওয়ার অব এ্যাটার্নি করে দেন (অফেরতযোগ্য)। যার আমি সর্বসাকুল্যে ৪.১১+১৯.২৫ মোট ২৩.৩৬ শতক জমির একক মালিকানা থাকা অবস্থায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখলিকার আছি। এমতাবস্থায় থানাঘাটা গ্রামের মৃত কাজী আবুল হোসেনের ছেলে কাজী আবু তাহের আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে গত ৮ ডিসেম্বর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে -১৬৫৮/২৫ নং মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে আদালত সাতক্ষীরা পৌর সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর নিকট সঠিক প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য দায়িত্ব অর্পন করেন। কিন্তু সদর ভূমি সহকারি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সরকার ঘটনাস্থলে না যেয়ে, কাগজপত্র না দেখে নিজের ইচ্ছামত মনগড়া একটি প্রতিবেদন বাদী পক্ষের অনুকূলে প্রদান করেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং তঞ্চকতামূলক।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে মোটর সাইকেলের চাকায় ওড়না পেচিয়ে নারীর মৃত্যু
সেখ ফারুক হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শর্মিষ্ঠা সরকার (নায়েব) বাদীর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন। বাদী কাজী আবু তাহের যে বিষয়টি নিয়ে মামলা করেছে তার সাথে এই জমির কোন সম্পর্ক নেই। কারণ বাদীর ওয়ারেশগণের ২০০২ সালের ৩১ জুলাই সাব রেজি: অফিসার কর্তৃক ওয়ারেশ বণ্টননামা মূলে বিবাদী সেখ ফারুক হোসেন সম্পত্তি ক্রয় করেন এবং পাওয়ার অব এ্যাটার্নি মূলে মালিকানাপ্রাপ্ত হন। আমাকে শুধু হয়রানি করার জন্য অসৎ এবং হীন মানসিকতার বশবর্তী হয়ে উক্ত মিথ্যা এবং মনগড়া প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। আমি মিথ্যা মামলা এবং ভূমি কমিশনার শর্মিষ্ঠা সরকারের মিথ্যা প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন, সাতক্ষীরায় ৪টি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা
তিনি আরো বলেন, উক্ত দখলীয় সম্পত্তি পূর্বের মালিক অর্থাৎ দিলরুবা ইয়াসমিনের নিকট হতে প্রাপ্ত হওয়ার পর উক্ত জমি আমি শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট ২০২৫ সালের ১৯ মার্চ তারিখে লীজ প্রদান করি ( যার স্ট্যাম্প নং-৯১৯৫৬০৮)। তিনি কোবলা এবং পাওয়ার অব এ্যাটার্নি মূলে প্রাপ্ত ২৩.৩৬ শতক জমি যাতে ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করতে পারেন এবং মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলকারী শর্মিষ্ঠা সরকার (নায়েব)-এর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
সাতক্ষীরা পৌর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) শর্মিষ্ঠা সরকারের বিরুদ্ধে ঘটনাস্থলে না গিয়ে ও কাগজপত্র না দেখে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে আদালতে মনগড়া প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের মৃত সেখ আলি আহম্মদের ছেলে সেখ ফারুক হোসেন এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২০২৫ সালের ১২ মার্চ ২৪১৩ নং রেজি: কোবলা মূলে দিলরুবা ইয়াসমিনের নিকট থেকে লাবসা মৌজার জেএল নং-৮৮ এবং ৪৪৫ নং খতিয়ানের ১৫৫৭ দাগের ৪.১১ শতক জমি ক্রয় করে ভোগ দখলীকার আছি। এছাড়া গত ১২ মার্চ দিলরুবা ইয়াসমিন আমার নামে মাগুরা গোপীনাথপুর মৌজার জেএল নং-৯০, এস এ ১৪৮২ খতিয়ানের ১৯.২৫ শতক জমি ১৯.২৫ শতক জমি পাওয়ার অব এ্যাটার্নি করে দেন (অফেরতযোগ্য)। যার আমি সর্বসাকুল্যে ৪.১১+১৯.২৫ মোট ২৩.৩৬ শতক জমির একক মালিকানা থাকা অবস্থায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখলিকার আছি। এমতাবস্থায় থানাঘাটা গ্রামের মৃত কাজী আবুল হোসেনের ছেলে কাজী আবু তাহের আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে গত ৮ ডিসেম্বর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে -১৬৫৮/২৫ নং মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে আদালত সাতক্ষীরা পৌর সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর নিকট সঠিক প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য দায়িত্ব অর্পন করেন। কিন্তু সদর ভূমি সহকারি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সরকার ঘটনাস্থলে না যেয়ে, কাগজপত্র না দেখে নিজের ইচ্ছামত মনগড়া একটি প্রতিবেদন বাদী পক্ষের অনুকূলে প্রদান করেন। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং তঞ্চকতামূলক।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে মোটর সাইকেলের চাকায় ওড়না পেচিয়ে নারীর মৃত্যু
সেখ ফারুক হোসেন অভিযোগ করে বলেন, শর্মিষ্ঠা সরকার (নায়েব) বাদীর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন। বাদী কাজী আবু তাহের যে বিষয়টি নিয়ে মামলা করেছে তার সাথে এই জমির কোন সম্পর্ক নেই। কারণ বাদীর ওয়ারেশগণের ২০০২ সালের ৩১ জুলাই সাব রেজি: অফিসার কর্তৃক ওয়ারেশ বণ্টননামা মূলে বিবাদী সেখ ফারুক হোসেন সম্পত্তি ক্রয় করেন এবং পাওয়ার অব এ্যাটার্নি মূলে মালিকানাপ্রাপ্ত হন। আমাকে শুধু হয়রানি করার জন্য অসৎ এবং হীন মানসিকতার বশবর্তী হয়ে উক্ত মিথ্যা এবং মনগড়া প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। আমি মিথ্যা মামলা এবং ভূমি কমিশনার শর্মিষ্ঠা সরকারের মিথ্যা প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আরও পড়ুন, সাতক্ষীরায় ৪টি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা
তিনি আরো বলেন, উক্ত দখলীয় সম্পত্তি পূর্বের মালিক অর্থাৎ দিলরুবা ইয়াসমিনের নিকট হতে প্রাপ্ত হওয়ার পর উক্ত জমি আমি শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট ২০২৫ সালের ১৯ মার্চ তারিখে লীজ প্রদান করি ( যার স্ট্যাম্প নং-৯১৯৫৬০৮)। তিনি কোবলা এবং পাওয়ার অব এ্যাটার্নি মূলে প্রাপ্ত ২৩.৩৬ শতক জমি যাতে ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করতে পারেন এবং মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলকারী শর্মিষ্ঠা সরকার (নায়েব)-এর বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন