বাজারে সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতার নাগালে শীতের সবজির দাম। তবে এখনো পাকা টমেটো ও শসা বিক্রি হচ্ছে উচ্চমূল্যে। এই দুটি সবজি কিনতে ক্রেতাকে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম ও মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও সব ধরনের মাছ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।বিক্রেতারা জানান, খুচরা বাজারে ছুটির দিন প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা। যা সাত দিন আগেও ১০ টাকা বেশি ছিল।
আরো পড়ুন , পেপার প্যাকেজিং পণ্যের বর্ষ ঘোষণায় শিল্পখাতের নতুন দিশা
প্রতিকেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫৪ টাকায়। প্রতিকেজি শালগম কিনতে ক্রেতার ৪০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। এছাড়া শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকায়। মিষ্টিকুমড়া প্রতিকেজি ৫০ টাকা ও পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। প্রতি পিস ফুলকপি আকারভেদে ২৫-৪০ টাকা। বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। খুচরা বাজারে আলু কেজি ২৫-৩০ টাকা। তবে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও পাকা টমেটো ও শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা। গাজর ৫০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৪০ ও পেঁয়াজের ফুল প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা।একই বাজারের সবজি বিক্রেতা মকবুল হোসেন বলেন, শীতের সব ধরনের সবজিতে ভরপুর বাজার। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাতে ট্রাকবোঝাই করে সবজি নামছে। পাইকারিতে কমেছে সবজির দাম। যে কারণে খুচরায় দাম কমেছে।
আরো পড়ুন , বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পদে নিয়োগ পেলেন ওয়াহেদুজ্জামান
তবে শীতে টমেটো ও শসার আবাদ নষ্ট হওয়ায় সরবরাহ একটু কম। যে কারণে দাম এখনো বেশি। সরবরাহ বাড়লেই দাম কমে আসবে।এদিকে সবজির মতো ডিম ও মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। খুচরা বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা। যা কিছুদিন আগেও ১২০ টাকা ছিল। সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকা এবং দেশি হাঁসের ডিম ১৯০-২০০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও কেজিতে ১০ টাকা বেশি ছিল। তবে গরু ও খাসির মাংস চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি গরুর মাংস কিনতে ক্রেতার খরচ হচ্ছে ৭৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১২০০ টাকা কেজি।
বিষয় : টমেটো-শসা শীতের সবজি উচ্চমূল্যে

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
বাজারে সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতার নাগালে শীতের সবজির দাম। তবে এখনো পাকা টমেটো ও শসা বিক্রি হচ্ছে উচ্চমূল্যে। এই দুটি সবজি কিনতে ক্রেতাকে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম ও মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও সব ধরনের মাছ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।বিক্রেতারা জানান, খুচরা বাজারে ছুটির দিন প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা। যা সাত দিন আগেও ১০ টাকা বেশি ছিল।
আরো পড়ুন , পেপার প্যাকেজিং পণ্যের বর্ষ ঘোষণায় শিল্পখাতের নতুন দিশা
প্রতিকেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫৪ টাকায়। প্রতিকেজি শালগম কিনতে ক্রেতার ৪০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। এছাড়া শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকায়। মিষ্টিকুমড়া প্রতিকেজি ৫০ টাকা ও পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। প্রতি পিস ফুলকপি আকারভেদে ২৫-৪০ টাকা। বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। খুচরা বাজারে আলু কেজি ২৫-৩০ টাকা। তবে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও পাকা টমেটো ও শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা। গাজর ৫০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৪০ ও পেঁয়াজের ফুল প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা।একই বাজারের সবজি বিক্রেতা মকবুল হোসেন বলেন, শীতের সব ধরনের সবজিতে ভরপুর বাজার। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাতে ট্রাকবোঝাই করে সবজি নামছে। পাইকারিতে কমেছে সবজির দাম। যে কারণে খুচরায় দাম কমেছে।
আরো পড়ুন , বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পদে নিয়োগ পেলেন ওয়াহেদুজ্জামান
তবে শীতে টমেটো ও শসার আবাদ নষ্ট হওয়ায় সরবরাহ একটু কম। যে কারণে দাম এখনো বেশি। সরবরাহ বাড়লেই দাম কমে আসবে।এদিকে সবজির মতো ডিম ও মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। খুচরা বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা। যা কিছুদিন আগেও ১২০ টাকা ছিল। সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকা এবং দেশি হাঁসের ডিম ১৯০-২০০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও কেজিতে ১০ টাকা বেশি ছিল। তবে গরু ও খাসির মাংস চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি গরুর মাংস কিনতে ক্রেতার খরচ হচ্ছে ৭৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১২০০ টাকা কেজি।

আপনার মতামত লিখুন