চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের বাসা লক্ষ্য করে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোরে থানার চন্দনপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলির সময় মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যরা বাসায় ছিলেন। তবে তাদের কেউ এ ঘটনায় হতাহত হননি।
মুজিবুর রহমান দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ছিলেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনে (বাঁশখালী উপজেলা) তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলের মনোনয়ন না পেয়ে তিনি বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলেন। পুলিশ জানায়, সম্প্রতি মুজিবুর রহমানের কাছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি নম্বর থেকে একজন ফোন করে চাঁদা দাবি করেছে। তবে বিষয়টি কাউকে জানাননি তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
আরও পড়ুন, নির্বাচনের যাচাই-বাছাইয়ে চট্টগ্রামে ১০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) দক্ষিণ জোনের উপকমিশনার (ডিসি) হোসাইন কবির ভূঁইয়া বলেন, একটি মাইক্রোবাসে ৮ জন মুখোশধারী এসেছিল। এরপর পিস্তল উঁচিয়ে কয়েক রাউন্ড ফায়ার করে চলে যায়। চাঁদার জন্য ভয় দেখাতেই বাড়ির সামনে ও পেছনে গুলি করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি কাউকে জানাননি। আমরা ধারণা করছি, মুখোশধারীরা সবাই বড় সাজ্জাদের অনুসারী। আমরা ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছি।
চট্টগ্রামের আলোচিত এইট মার্ডার মামলার আসামি সাজ্জাদ আলী বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আবার বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তিনি। বর্তমানে তার বাহিনী দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করছেন চট্টগ্রামের অপরাধজগৎ।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমানের বাসা লক্ষ্য করে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোরে থানার চন্দনপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলির সময় মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যরা বাসায় ছিলেন। তবে তাদের কেউ এ ঘটনায় হতাহত হননি।
মুজিবুর রহমান দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ছিলেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনে (বাঁশখালী উপজেলা) তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলের মনোনয়ন না পেয়ে তিনি বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলেন। পুলিশ জানায়, সম্প্রতি মুজিবুর রহমানের কাছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি নম্বর থেকে একজন ফোন করে চাঁদা দাবি করেছে। তবে বিষয়টি কাউকে জানাননি তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
আরও পড়ুন, নির্বাচনের যাচাই-বাছাইয়ে চট্টগ্রামে ১০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) দক্ষিণ জোনের উপকমিশনার (ডিসি) হোসাইন কবির ভূঁইয়া বলেন, একটি মাইক্রোবাসে ৮ জন মুখোশধারী এসেছিল। এরপর পিস্তল উঁচিয়ে কয়েক রাউন্ড ফায়ার করে চলে যায়। চাঁদার জন্য ভয় দেখাতেই বাড়ির সামনে ও পেছনে গুলি করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি কাউকে জানাননি। আমরা ধারণা করছি, মুখোশধারীরা সবাই বড় সাজ্জাদের অনুসারী। আমরা ঘটনার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছি।
চট্টগ্রামের আলোচিত এইট মার্ডার মামলার আসামি সাজ্জাদ আলী বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আবার বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তিনি। বর্তমানে তার বাহিনী দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করছেন চট্টগ্রামের অপরাধজগৎ।

আপনার মতামত লিখুন