চট্টগ্রামে এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধারের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া এবং উদ্ধার করা মাদক আত্মসাতের অভিযোগে আট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনারের নির্দেশে তাদের বরখাস্ত করা হয়।মাদকদ্রব্য আত্মসাৎ, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান এবং বৈধ আদেশ অমান্য করার অভিযোগে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
আরো পড়ুন , গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনের দুই বগি বিচ্ছিন্ন, যাত্রীরা নিরাপদ
বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- বাকলিয়া থানার এসআই মোহাম্মদ আল-আমিন সরকার, এসআই মোহাম্মদ আমির হোসেন (বর্তমানে কোতোয়ালি থানায় কর্মরত), এএসআই সাইফুল আলম, মো. জিয়াউর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন, এনামুল হক, কনস্টেবল মো. রাশেদুল হাসান ভূঞা ও নারী কনস্টেবল উম্মে হাবিবা।নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ গণমাধ্যমকে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরো পড়ুন , লক্ষ্মীপুর মাটিবাহী পিকআপের চাপায় কিশোর নিহত
কক্সবাজার জেলা পুলিশের কনস্টেবল মো. ইমতিয়াজ হোসেনের সঙ্গে থাকা একটি ট্রলি ব্যাগ থেকে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এসব ইয়াবা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা আত্মসাৎ করেন। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।চেকপোস্টে তাদের প্রতি সন্দেহ থাকে। ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে দেশ ট্রাভেলসের গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-১৬৪২) কলাতলি থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে। ইমতিয়াজ গাড়ির ই-১ আসনে ছিলেন। গাড়িতে বসেই তিনি পুলিশের আইডি কার্ডটি সামনের ডি-১ সিটে ঝুলিয়ে দেন। এতে গাড়ির যাত্রীরাও বুঝে যায় ইমতিয়াজ পুলিশ সদস্য।তদন্ত কমিটির একজন সদস্য যুগান্তরকে জানিয়েছেন, ‘কনস্টেবল ইমতিয়াজ শুরুতে বিষয়টি অস্বীকার করছিল। তবে যুগান্তরের সরবরাহ করা অডিও ও তথ্য উপস্থাপন করার পর তিনি ভেঙে পড়েন এবং কোনো যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে ইয়াবাসহ আটক হওয়ার পুরো ঘটনা খুলে বলেন।’
বিষয় : চট্টগ্রাম ইয়াবা পুলিশ বরখাস্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামে এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধারের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া এবং উদ্ধার করা মাদক আত্মসাতের অভিযোগে আট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনারের নির্দেশে তাদের বরখাস্ত করা হয়।মাদকদ্রব্য আত্মসাৎ, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান এবং বৈধ আদেশ অমান্য করার অভিযোগে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
আরো পড়ুন , গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনের দুই বগি বিচ্ছিন্ন, যাত্রীরা নিরাপদ
বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- বাকলিয়া থানার এসআই মোহাম্মদ আল-আমিন সরকার, এসআই মোহাম্মদ আমির হোসেন (বর্তমানে কোতোয়ালি থানায় কর্মরত), এএসআই সাইফুল আলম, মো. জিয়াউর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন, এনামুল হক, কনস্টেবল মো. রাশেদুল হাসান ভূঞা ও নারী কনস্টেবল উম্মে হাবিবা।নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ গণমাধ্যমকে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরো পড়ুন , লক্ষ্মীপুর মাটিবাহী পিকআপের চাপায় কিশোর নিহত
কক্সবাজার জেলা পুলিশের কনস্টেবল মো. ইমতিয়াজ হোসেনের সঙ্গে থাকা একটি ট্রলি ব্যাগ থেকে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এসব ইয়াবা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা আত্মসাৎ করেন। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।চেকপোস্টে তাদের প্রতি সন্দেহ থাকে। ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে দেশ ট্রাভেলসের গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-১৬৪২) কলাতলি থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে। ইমতিয়াজ গাড়ির ই-১ আসনে ছিলেন। গাড়িতে বসেই তিনি পুলিশের আইডি কার্ডটি সামনের ডি-১ সিটে ঝুলিয়ে দেন। এতে গাড়ির যাত্রীরাও বুঝে যায় ইমতিয়াজ পুলিশ সদস্য।তদন্ত কমিটির একজন সদস্য যুগান্তরকে জানিয়েছেন, ‘কনস্টেবল ইমতিয়াজ শুরুতে বিষয়টি অস্বীকার করছিল। তবে যুগান্তরের সরবরাহ করা অডিও ও তথ্য উপস্থাপন করার পর তিনি ভেঙে পড়েন এবং কোনো যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে ইয়াবাসহ আটক হওয়ার পুরো ঘটনা খুলে বলেন।’

আপনার মতামত লিখুন