ডিজিটাল যুগের মোবাইল নির্ভর ব্যস্ততার মাঝেও হস্তশিল্পের প্রতি গভীর আগ্রহ দেখিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সোনারগাঁওয়ের দুই ক্ষুদে শিক্ষার্থী সেঁজুতি ও স্নিগ্ধা বর্মন। পড়ালেখার পাশাপাশি অবসর সময়কে সৃজনশীল কাজে লাগিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের নান্দনিক হস্তশিল্প তৈরি করে স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
কাগজ, রঙ, সুতা, পাটসহ সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহার করে তারা তৈরি করছে বাহারি ফুল, ঘর সাজানোর সামগ্রী, শুভেচ্ছা কার্ড ও নান্দনিক শোপিস। শিশু বয়সেই তাদের এমন সৃজনশীল উদ্যোগ এলাকাবাসীর দৃষ্টি কেড়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানান, সেঁজুতি ও স্নিগ্ধার এই আগ্রহ শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা তৈরি করছে। তারা মনে করেন, এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে হস্তশিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে সহায়ক হবে।
আরও পড়ুন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে ফুলবাড়ীয়ায় অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
ক্ষুদে শিক্ষার্থী সেঁজুতি বলেন, নিজের হাতে কিছু বানাতে খুব ভালো লাগে। ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে হস্তশিল্প শিখতে চাই। একই অনুভূতি প্রকাশ করে স্নিগ্ধা বর্মন জানায়, হস্তশিল্পের মাধ্যমে আমি নতুন নতুন জিনিস শেখার সুযোগ পাচ্ছি। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সেঁজুতি ও স্নিগ্ধার মতো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল উদ্যোগ ভবিষ্যতে দেশীয় হস্তশিল্পকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রশিক্ষণ পেলে তারা আরও বড় পরিসরে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
বিষয় : সোনারগাঁও স্নিগ্ধা বর্মন সেঁজুতি হস্তশিল্প

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
ডিজিটাল যুগের মোবাইল নির্ভর ব্যস্ততার মাঝেও হস্তশিল্পের প্রতি গভীর আগ্রহ দেখিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সোনারগাঁওয়ের দুই ক্ষুদে শিক্ষার্থী সেঁজুতি ও স্নিগ্ধা বর্মন। পড়ালেখার পাশাপাশি অবসর সময়কে সৃজনশীল কাজে লাগিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের নান্দনিক হস্তশিল্প তৈরি করে স্থানীয়ভাবে প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
কাগজ, রঙ, সুতা, পাটসহ সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহার করে তারা তৈরি করছে বাহারি ফুল, ঘর সাজানোর সামগ্রী, শুভেচ্ছা কার্ড ও নান্দনিক শোপিস। শিশু বয়সেই তাদের এমন সৃজনশীল উদ্যোগ এলাকাবাসীর দৃষ্টি কেড়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানান, সেঁজুতি ও স্নিগ্ধার এই আগ্রহ শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা তৈরি করছে। তারা মনে করেন, এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে হস্তশিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে সহায়ক হবে।
আরও পড়ুন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে ফুলবাড়ীয়ায় অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
ক্ষুদে শিক্ষার্থী সেঁজুতি বলেন, নিজের হাতে কিছু বানাতে খুব ভালো লাগে। ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে হস্তশিল্প শিখতে চাই। একই অনুভূতি প্রকাশ করে স্নিগ্ধা বর্মন জানায়, হস্তশিল্পের মাধ্যমে আমি নতুন নতুন জিনিস শেখার সুযোগ পাচ্ছি। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সেঁজুতি ও স্নিগ্ধার মতো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল উদ্যোগ ভবিষ্যতে দেশীয় হস্তশিল্পকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রশিক্ষণ পেলে তারা আরও বড় পরিসরে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন