দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ের বিচার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২
ছবি: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২

জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃত্বের দায়ে পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত এবং অধস্তনদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এসব নেতার ভূমিকা ছিল। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেওয়ার আদেশ দেন। কারাগারে থাকা ছয় আসামিকে আগামী ২২ নভেম্বর আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পলাতক মির্জা আজমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল। গত ২৬ অক্টোবর তদন্ত সংস্থা সাত নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দেয়। পর্যালোচনা শেষে ২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক পর্যায়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার বক্তব্য, ১৫ জুলাই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সংবাদ সম্মেলন, ১৭ জুলাইয়ের মতবিনিময় সভা এবং ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় জোটের বৈঠককে অভিযোগপত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১৯ জুলাইয়ের বৈঠকে দেশব্যাপী কারফিউ জারি এবং কারফিউ চলাকালে দেখামাত্র গুলির সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন, তৃণমূল শক্তিশালী করে নির্বাচনে নামতে চায় এনসিপি

 এ ছাড়া ১৮ জুলাই রাতে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ, প্রাণঘাতী অস্ত্র ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের বিষয়ও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। সাত নেতার বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কারফিউ ও গুলি চালানোর সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ততা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের মোকাবিলায় ছাত্রলীগকে মাঠে নামানোর বক্তব্যে সমর্থন এবং আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক ভূমিকার অভিযোগ আনা হয়েছে। সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের বিরুদ্ধে মাদারীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে আন্দোলন দমনে উৎসাহিত করার অভিযোগ রয়েছে। সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে ১৯ জুলাইয়ের বৈঠকে কারফিউ ও আন্দোলন দমনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা ও সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে দলীয় লোকবল সংগঠিত করা এবং কর্মীদের জন্য অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টনের অভিযোগ রয়েছে। সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খানের বিরুদ্ধে ৪ আগস্ট গণভবনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বৈঠকে অংশ নিয়ে আন্দোলন দমন ও ঢাকা প্রবেশের পথগুলোতে বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় পরামর্শ, প্ররোচনা ও সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃত্বের দায় কী আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ বলতে অধস্তনদের ওপর কার্যকর কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তাদের অপরাধ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়া কিংবা অপরাধ সংঘটনের পর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ার দায়কে বোঝায়।

আরও পড়ুন, সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ

তবে শুধু পদমর্যাদা বা রাজনৈতিক প্রভাব থাকলেই এ দায় প্রতিষ্ঠিত হয় না। অধস্তনদের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ সম্পর্কে জ্ঞান বা জানার যৌক্তিক ভিত্তি এবং প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতার বিষয়গুলো বিচারিকভাবে প্রমাণ করতে হয়। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীমের ভাষ্য, এ মামলায় সাত আসামির বিরুদ্ধে সাতটি পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অবস্থান এবং কথিত ভূমিকা বিবেচনায় অভিযোগগুলো আলাদাভাবে সাজানো হয়েছে। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে দেশব্যাপী ১ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ নিহত এবং ২৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। গাজীপুর, উত্তরা, মিরপুর ও মাদারীপুরসহ বিভিন্ন এলাকার ঘটনার বিবরণ এতে তুলে ধরা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি হবে।

বিষয় : বিচার হত্যাকাণ্ডে ঊর্ধ্বতন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬


জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ের বিচার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তাঁদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃত্বের দায়ে পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত এবং অধস্তনদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এসব নেতার ভূমিকা ছিল। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেওয়ার আদেশ দেন। কারাগারে থাকা ছয় আসামিকে আগামী ২২ নভেম্বর আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পলাতক মির্জা আজমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল। গত ২৬ অক্টোবর তদন্ত সংস্থা সাত নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দেয়। পর্যালোচনা শেষে ২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক পর্যায়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার বক্তব্য, ১৫ জুলাই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সংবাদ সম্মেলন, ১৭ জুলাইয়ের মতবিনিময় সভা এবং ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় জোটের বৈঠককে অভিযোগপত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১৯ জুলাইয়ের বৈঠকে দেশব্যাপী কারফিউ জারি এবং কারফিউ চলাকালে দেখামাত্র গুলির সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন, তৃণমূল শক্তিশালী করে নির্বাচনে নামতে চায় এনসিপি

 এ ছাড়া ১৮ জুলাই রাতে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ, প্রাণঘাতী অস্ত্র ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের বিষয়ও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। সাত নেতার বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, আমির হোসেন আমুর বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কারফিউ ও গুলি চালানোর সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ততা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের অর্থায়নের অভিযোগ রয়েছে। সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের মোকাবিলায় ছাত্রলীগকে মাঠে নামানোর বক্তব্যে সমর্থন এবং আন্দোলন দমনে রাজনৈতিক ভূমিকার অভিযোগ আনা হয়েছে। সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের বিরুদ্ধে মাদারীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে আন্দোলন দমনে উৎসাহিত করার অভিযোগ রয়েছে। সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে ১৯ জুলাইয়ের বৈঠকে কারফিউ ও আন্দোলন দমনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা ও সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে দলীয় লোকবল সংগঠিত করা এবং কর্মীদের জন্য অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টনের অভিযোগ রয়েছে। সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খানের বিরুদ্ধে ৪ আগস্ট গণভবনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বৈঠকে অংশ নিয়ে আন্দোলন দমন ও ঢাকা প্রবেশের পথগুলোতে বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় পরামর্শ, প্ররোচনা ও সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃত্বের দায় কী আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ বলতে অধস্তনদের ওপর কার্যকর কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তাদের অপরাধ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়া কিংবা অপরাধ সংঘটনের পর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ার দায়কে বোঝায়।

আরও পড়ুন, সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ

তবে শুধু পদমর্যাদা বা রাজনৈতিক প্রভাব থাকলেই এ দায় প্রতিষ্ঠিত হয় না। অধস্তনদের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ সম্পর্কে জ্ঞান বা জানার যৌক্তিক ভিত্তি এবং প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতার বিষয়গুলো বিচারিকভাবে প্রমাণ করতে হয়। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীমের ভাষ্য, এ মামলায় সাত আসামির বিরুদ্ধে সাতটি পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অবস্থান এবং কথিত ভূমিকা বিবেচনায় অভিযোগগুলো আলাদাভাবে সাজানো হয়েছে। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে দেশব্যাপী ১ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ নিহত এবং ২৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। গাজীপুর, উত্তরা, মিরপুর ও মাদারীপুরসহ বিভিন্ন এলাকার ঘটনার বিবরণ এতে তুলে ধরা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি হবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ডে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ের বিচার
0:00 0:00
1.0x