রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে তৈরি পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, শ্রমিকদের স্বাভাবিক দাবি-দাওয়াকে পুঁজি করে সহিংসতা ও নাশকতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। গত ৩ নভেম্বর রাজধানীর কালশী-পূরবী মোড়ে শিহা ডিজাইন বাংলাদেশ লিমিটেড কারখানার সামনে পুলিশের এক কনস্টেবলের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ডিবি। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এই ঘটনার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধিসহ প্রভাবশালী একটি চক্রের ইন্ধন ও অর্থায়নের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এস এম মান্নান কচি,
আরও পড়ুন,৭ নভেম্বরের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লা এবং সাবেক দুই অতিরিক্ত আইজিপির নাম উঠে এসেছে। ডিবির দাবি, আসামিদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে ১৬টি হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার গ্রুপের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব গ্রুপে বিভিন্ন স্থানে লোকজন জড়ো করা, সহিংসতার ছবি ও ভিডিও পাঠানো এবং অর্থ লেনদেনের তথ্য আদান-প্রদান করা হতো। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজন ঢাকায় এনে আন্দোলনে যুক্ত করার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে সাধারণ শ্রমিকদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি পুলিশের ওপর হামলা ও যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনাও পরিকল্পনার অংশ ছিল বলে দাবি গোয়েন্দাদের। ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ সদস্যের ওপর হামলায় সরাসরি জড়িত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকেও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ডিবি জানিয়েছে, সহিংসতার নেপথ্যে থাকা পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে তৈরি পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দাবি, শ্রমিকদের স্বাভাবিক দাবি-দাওয়াকে পুঁজি করে সহিংসতা ও নাশকতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। গত ৩ নভেম্বর রাজধানীর কালশী-পূরবী মোড়ে শিহা ডিজাইন বাংলাদেশ লিমিটেড কারখানার সামনে পুলিশের এক কনস্টেবলের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ডিবি। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এই ঘটনার নেপথ্যে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধিসহ প্রভাবশালী একটি চক্রের ইন্ধন ও অর্থায়নের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এস এম মান্নান কচি,
আরও পড়ুন,৭ নভেম্বরের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লা এবং সাবেক দুই অতিরিক্ত আইজিপির নাম উঠে এসেছে। ডিবির দাবি, আসামিদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে ১৬টি হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার গ্রুপের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব গ্রুপে বিভিন্ন স্থানে লোকজন জড়ো করা, সহিংসতার ছবি ও ভিডিও পাঠানো এবং অর্থ লেনদেনের তথ্য আদান-প্রদান করা হতো। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজন ঢাকায় এনে আন্দোলনে যুক্ত করার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে সাধারণ শ্রমিকদের উত্তেজিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি পুলিশের ওপর হামলা ও যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনাও পরিকল্পনার অংশ ছিল বলে দাবি গোয়েন্দাদের। ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ সদস্যের ওপর হামলায় সরাসরি জড়িত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকেও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ডিবি জানিয়েছে, সহিংসতার নেপথ্যে থাকা পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
