দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে মনোরেল পরিকল্পনায় সরকার

২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে মনোরেল পরিকল্পনায় সরকার
২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে মনোরেল পরিকল্পনায় সরকার
ছবি: ২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে মনোরেল পরিকল্পনায় সরকার

রাজধানী ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে মনোরেল। ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। প্রাক্-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর এখন প্রস্তাবিত রুটগুলোর বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ড. মো. মশিউর রহমান জানিয়েছেন, মনোরেল চালু হলে রাজধানীর গণপরিবহন নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই এ পরিবহনব্যবস্থা যাত্রীদের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি মেট্রোরেলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনেও ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শকেরা ইতোমধ্যে প্রাক্-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। এখন বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এ নকশা জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। এ কাজের জন্য সরকারি রাজস্ব বাজেট থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। হালনাগাদ সংশোধিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনায় ঢাকার জন্য প্রায় ৭৯ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচটি মনোরেল রুটের প্রস্তাব রয়েছে। 

আরও পড়ুন,১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

রুটগুলো হলো বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল ও জলসিঁড়ি হয়ে বসুন্ধরা, মধ্য বাড্ডা থেকে ভুলতা, রামপুরা থেকে ডেমরা, মোহাম্মদপুর থেকে পোস্তগোলা এবং বিমানবন্দর থেকে উত্তরা সেন্টার হয়ে সাভার। প্রস্তাবিত পাঁচটি রুটের মধ্যে যাত্রী চাহিদা, কারিগরি ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা এবং পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনা করে চূড়ান্ত দুটি রুট নির্বাচন করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিন মাসের মধ্যে একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত রুট চিহ্নিত করার কথা রয়েছে।সমীক্ষায় সম্ভাব্য স্টেশন ও ডিপোর অবস্থান, যাত্রীচাহিদা, নির্মাণ ব্যয়, পরিচালন ব্যয় এবং পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যমান ও পরিকল্পনায় থাকা মেট্রোরেলসহ অন্যান্য গণপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে মনোরেলের সংযোগের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়াল কাঠামোর ওপর দিয়ে চলাচল করে মনোরেল। ফলে ঘনবসতিপূর্ণ ঢাকার যেসব এলাকায় সড়কের জায়গা সীমিত, সেখানে এ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা যাচাই করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারের আশা, পরিকল্পিত এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর যানজট কমানো এবং সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

বিষয় : পরিকল্পনা সংশোধিত প্রকৌশলী

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬


২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে মনোরেল পরিকল্পনায় সরকার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজধানী ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে মনোরেল। ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। প্রাক্-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর এখন প্রস্তাবিত রুটগুলোর বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ড. মো. মশিউর রহমান জানিয়েছেন, মনোরেল চালু হলে রাজধানীর গণপরিবহন নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই এ পরিবহনব্যবস্থা যাত্রীদের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি মেট্রোরেলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনেও ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শকেরা ইতোমধ্যে প্রাক্-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। এখন বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এ নকশা জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। এ কাজের জন্য সরকারি রাজস্ব বাজেট থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। হালনাগাদ সংশোধিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনায় ঢাকার জন্য প্রায় ৭৯ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচটি মনোরেল রুটের প্রস্তাব রয়েছে। 

আরও পড়ুন,১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

রুটগুলো হলো বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল ও জলসিঁড়ি হয়ে বসুন্ধরা, মধ্য বাড্ডা থেকে ভুলতা, রামপুরা থেকে ডেমরা, মোহাম্মদপুর থেকে পোস্তগোলা এবং বিমানবন্দর থেকে উত্তরা সেন্টার হয়ে সাভার। প্রস্তাবিত পাঁচটি রুটের মধ্যে যাত্রী চাহিদা, কারিগরি ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা এবং পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনা করে চূড়ান্ত দুটি রুট নির্বাচন করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিন মাসের মধ্যে একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত রুট চিহ্নিত করার কথা রয়েছে।সমীক্ষায় সম্ভাব্য স্টেশন ও ডিপোর অবস্থান, যাত্রীচাহিদা, নির্মাণ ব্যয়, পরিচালন ব্যয় এবং পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যমান ও পরিকল্পনায় থাকা মেট্রোরেলসহ অন্যান্য গণপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে মনোরেলের সংযোগের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। উড়াল কাঠামোর ওপর দিয়ে চলাচল করে মনোরেল। ফলে ঘনবসতিপূর্ণ ঢাকার যেসব এলাকায় সড়কের জায়গা সীমিত, সেখানে এ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা যাচাই করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারের আশা, পরিকল্পিত এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর যানজট কমানো এবং সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে মনোরেল পরিকল্পনায় সরকার
0:00 0:00
1.0x