যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের বিপর্যয়ের খবরের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, মার্কিন ভোটাররা নির্বাচনের মাধ্যমে যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ এ মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, ‘বিবেক হোক বা জীবনযাত্রার ব্যয় আমেরিকানরা যুদ্ধে না বলেছে। আমরা এই বার্তাকে সমর্থন করি।’ পোস্টে তিনি আরও বলেন, মার্কিন সরকার যদি আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষক ও ব্ল্যাকমেইলারদের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাহলে তাদের ‘না’ শব্দটির পরিণতি ভোগ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন,ডেমোক্র্যাটরা জিতলে প্রশাসনের অর্জন মুছে যাবে: ট্রাম্প
নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয়, শুল্কনীতি এবং ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে আলোচনায় এসেছে। ইরানবিরোধী সামরিক পদক্ষেপের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মার্কিন ভোটারদের অসন্তোষ বাড়ানোর অন্যতম কারণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। কয়েক মাস ধরে চলা এই সংঘাত এখনো পুরোপুরি থামেনি। বিভিন্ন সময়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি নতুন করে পূর্ণমাত্রার সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন নির্বাচনের ফলকে ইরানের পক্ষ থেকে নিজেদের অবস্থানের পক্ষে জনমতের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন গালিবাফ। তাঁর মন্তব্য দুই দেশের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন রাজনৈতিক মাত্রা যোগ করেছে।
বিষয় : রাজনৈতিক_বার্তা বার্তা ইরানের

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের বিপর্যয়ের খবরের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, মার্কিন ভোটাররা নির্বাচনের মাধ্যমে যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ এ মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, ‘বিবেক হোক বা জীবনযাত্রার ব্যয় আমেরিকানরা যুদ্ধে না বলেছে। আমরা এই বার্তাকে সমর্থন করি।’ পোস্টে তিনি আরও বলেন, মার্কিন সরকার যদি আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষক ও ব্ল্যাকমেইলারদের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে নিজেদের জনগণের ইচ্ছার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাহলে তাদের ‘না’ শব্দটির পরিণতি ভোগ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন,ডেমোক্র্যাটরা জিতলে প্রশাসনের অর্জন মুছে যাবে: ট্রাম্প
নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয়, শুল্কনীতি এবং ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে আলোচনায় এসেছে। ইরানবিরোধী সামরিক পদক্ষেপের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মার্কিন ভোটারদের অসন্তোষ বাড়ানোর অন্যতম কারণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। কয়েক মাস ধরে চলা এই সংঘাত এখনো পুরোপুরি থামেনি। বিভিন্ন সময়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি নতুন করে পূর্ণমাত্রার সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন নির্বাচনের ফলকে ইরানের পক্ষ থেকে নিজেদের অবস্থানের পক্ষে জনমতের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন গালিবাফ। তাঁর মন্তব্য দুই দেশের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন রাজনৈতিক মাত্রা যোগ করেছে।
