শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঋণ নেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ঋণ করে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করলে মুনাফার সম্ভাবনার পাশাপাশি পুঁজি হারানোর ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বিশেষ করে ঋণের উচ্চ সুদের কারণে বিনিয়োগকারীর প্রকৃত মুনাফা কমে যেতে পারে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য নিজের সঞ্চয়ের একটি অংশ ব্যবহার করাই তুলনামূলক নিরাপদ। দৈনন্দিন ও মাসিক খরচ মেটানোর পর যে অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে, সেটি বিনিয়োগের জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে এমন অর্থ বিনিয়োগ করা উচিত, যা লোকসান হলেও ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে না। বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে শেয়ারের বিপরীতে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করলে অনেক ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বা তার বেশি সুদ গুনতে হয়।
আরও পড়ুন,দক্ষ জনশক্তি গড়তে এখনই পদক্ষেপ জরুরি
ফলে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার বড় অংশই চলে যায় ঋণের সুদ পরিশোধে। ধরা যাক, কেউ এক লাখ টাকা ঋণ নিয়ে একটি শেয়ারে বিনিয়োগ করলেন। শেয়ারের দাম ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১০ টাকা হলে তার মুনাফা হবে ১০ শতাংশ। কিন্তু এই মুনাফা থেকে ঋণের সুদ ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলে প্রকৃত লাভ অনেক কমে যেতে পারে। অন্যদিকে নিজের সঞ্চয়ের অর্থ দিয়ে বিনিয়োগ করলে ঋণের সুদ পরিশোধের বাড়তি চাপ থাকে না। তাই বিনিয়োগকারীদের জন্য পরামর্শ হলো, ঋণ এড়িয়ে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বিনিয়োগ করা এবং দীর্ঘমেয়াদে তুলনামূলক স্থিতিশীল ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ার বেছে নেওয়া। কারণ শেয়ারবাজারে মুনাফার সম্ভাবনা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে পুঁজি হারানোর ঝুঁকিও।
বিষয় : মুনাফা শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারী

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঋণ নেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ঋণ করে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করলে মুনাফার সম্ভাবনার পাশাপাশি পুঁজি হারানোর ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বিশেষ করে ঋণের উচ্চ সুদের কারণে বিনিয়োগকারীর প্রকৃত মুনাফা কমে যেতে পারে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য নিজের সঞ্চয়ের একটি অংশ ব্যবহার করাই তুলনামূলক নিরাপদ। দৈনন্দিন ও মাসিক খরচ মেটানোর পর যে অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে, সেটি বিনিয়োগের জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে এমন অর্থ বিনিয়োগ করা উচিত, যা লোকসান হলেও ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে না। বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে শেয়ারের বিপরীতে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করলে অনেক ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বা তার বেশি সুদ গুনতে হয়।
আরও পড়ুন,দক্ষ জনশক্তি গড়তে এখনই পদক্ষেপ জরুরি
ফলে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার বড় অংশই চলে যায় ঋণের সুদ পরিশোধে। ধরা যাক, কেউ এক লাখ টাকা ঋণ নিয়ে একটি শেয়ারে বিনিয়োগ করলেন। শেয়ারের দাম ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১১০ টাকা হলে তার মুনাফা হবে ১০ শতাংশ। কিন্তু এই মুনাফা থেকে ঋণের সুদ ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলে প্রকৃত লাভ অনেক কমে যেতে পারে। অন্যদিকে নিজের সঞ্চয়ের অর্থ দিয়ে বিনিয়োগ করলে ঋণের সুদ পরিশোধের বাড়তি চাপ থাকে না। তাই বিনিয়োগকারীদের জন্য পরামর্শ হলো, ঋণ এড়িয়ে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বিনিয়োগ করা এবং দীর্ঘমেয়াদে তুলনামূলক স্থিতিশীল ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ার বেছে নেওয়া। কারণ শেয়ারবাজারে মুনাফার সম্ভাবনা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে পুঁজি হারানোর ঝুঁকিও।
