কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকা থেকে ২৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৭ জন মাদকসেবী, ৬ জন ধর্তব্য অপরাধে অভিযুক্ত এবং ১ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চোর ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পৌরসভা ও ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া ১৭ জন মাদকসেবী হলেন শাহাব উদ্দিন (৪০), অরুন কান্তি দে (৪৮), হাবিবুর রহমান (৩১), রুবেল (৩৫), খালেদ নুর (৩৮), আব্দুর রহমান (২৫), কাইছার আলম (৩৫), মো. নেজাম উদ্দিন (২৮), আবুল কালাম (৪৮), মো. ফয়সাল সরকার (৩৯), মো. আরিফ (১৮), মো. আলম (২৮), নুরুল আবছার (৪৭), জুয়েল (২৪), শাওন আলী (২৩), আশিকুল ইসলাম (২১) ও সাইফুল ইসলাম (৪৪)।
আরও পড়ুন,অভিযানে গিয়ে গুলিভর্তি পিস্তল হারালেন এএসআই, সন্ধানদাতাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার
তাঁদের মধ্যে কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া, মহেশখালী, টেকনাফ ও চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা রয়েছেন। এ ছাড়া রাজশাহীর চারঘাট এলাকার একজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধর্তব্য অপরাধে গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জন হলেন জাহিদুল ইসলাম প্রকাশ জাহেদ (৩৮), মোহাম্মদ লিটন (৪০), ছমিউল ইসলাম রাব্বী সামি (২১), মেহেদী হাসান (২২), মো. রাসেল করিম (২৪) ও মো. ইয়াছিন (২৮)। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। মোহাম্মদ লিটনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় ২০১৩ সালের একটি মামলা, মো. রাসেল করিমের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড থানায় ২০২৩ সালের একটি মামলা এবং মো. ইয়াছিনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় ২০২৫ সালের একটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া ওয়ারেন্টমূলে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাব্বির আহমদ সায়মনকে। তিনি কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার উত্তর গোমাতলী এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পূর্ব লাহারপাড়ায় বসবাস করেন।কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এসব গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকা থেকে ২৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৭ জন মাদকসেবী, ৬ জন ধর্তব্য অপরাধে অভিযুক্ত এবং ১ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চোর ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পৌরসভা ও ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া ১৭ জন মাদকসেবী হলেন শাহাব উদ্দিন (৪০), অরুন কান্তি দে (৪৮), হাবিবুর রহমান (৩১), রুবেল (৩৫), খালেদ নুর (৩৮), আব্দুর রহমান (২৫), কাইছার আলম (৩৫), মো. নেজাম উদ্দিন (২৮), আবুল কালাম (৪৮), মো. ফয়সাল সরকার (৩৯), মো. আরিফ (১৮), মো. আলম (২৮), নুরুল আবছার (৪৭), জুয়েল (২৪), শাওন আলী (২৩), আশিকুল ইসলাম (২১) ও সাইফুল ইসলাম (৪৪)।
আরও পড়ুন,অভিযানে গিয়ে গুলিভর্তি পিস্তল হারালেন এএসআই, সন্ধানদাতাকে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার
তাঁদের মধ্যে কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া, মহেশখালী, টেকনাফ ও চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা রয়েছেন। এ ছাড়া রাজশাহীর চারঘাট এলাকার একজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধর্তব্য অপরাধে গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জন হলেন জাহিদুল ইসলাম প্রকাশ জাহেদ (৩৮), মোহাম্মদ লিটন (৪০), ছমিউল ইসলাম রাব্বী সামি (২১), মেহেদী হাসান (২২), মো. রাসেল করিম (২৪) ও মো. ইয়াছিন (২৮)। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে পূর্বে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। মোহাম্মদ লিটনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় ২০১৩ সালের একটি মামলা, মো. রাসেল করিমের বিরুদ্ধে সীতাকুণ্ড থানায় ২০২৩ সালের একটি মামলা এবং মো. ইয়াছিনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় ২০২৫ সালের একটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া ওয়ারেন্টমূলে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাব্বির আহমদ সায়মনকে। তিনি কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার উত্তর গোমাতলী এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের পূর্ব লাহারপাড়ায় বসবাস করেন।কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এসব গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
