প্রায় এক বছর নির্বাসনে ও আত্মগোপনে থাকার পর আকস্মিকভাবে নিজ দেশ ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন দেশটির প্রভাবশালী বিরোধী নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। রবিবার (২৫ অক্টোবর) তাঁর এই নাটকীয় প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে ভেনেজুয়েলার রাজপথে উচ্ছ্বসিত সাধারণ মানুষের বিশাল জনস্রোত নামে। দেশে ফিরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সরাসরি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, যা লাতিন আমেরিকার দেশটিতে নতুন করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী কারাকাসের দিকে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বিশাল বহর নিয়ে যাত্রার সময় মহাসড়ক, টোল প্লাজা ও শহরের অলিগলিতে হাজার হাজার মানুষ ভেনেজুয়েলার জাতীয় পতাকা হাতে ভিড় জমান এবং ‘স্বাধীনতা’ স্লোগানে মুখর করে তোলেন চারপাশ।
আরও পড়ুন,
গুয়াকারার একটি জনাকীর্ণ চত্বরে নিজের পরিচিত সাদা টি-শার্ট ও নীল জিনস পরে গাড়ির সানরুফ দিয়ে বেরিয়ে এসে সমর্থকদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলান মাচাদো। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন লাখ লাখ অভিবাসী ভেনেজুয়েলীয়ের মনে আশার সঞ্চার করেছে, যারা দমন-পীড়ন ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে একসময় দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণের জন্য অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে দেশত্যাগ করেছিলেন ৫৯ বছর বয়সী এই নেত্রী। এর আগে দীর্ঘ এক বছর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এর মধ্যে মাতৃভূমিতে ফিরে আসার অন্তত সাতটি পূর্ববর্তী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত রবিবার ভেনেজুয়েলার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বারকিসিমেতোর সান্তা রোসা গির্জায় প্রকাশ্যে উপস্থিত হয়ে তিনি সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত হন। তাঁর এই আকস্মিক প্রত্যাবর্তন ভেনেজুয়েলার বর্তমান অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন মোড় দিয়েছে এবং তাঁকে আবারও জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
বিষয় : প্রত্যাবর্তন আকস্মিক

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রায় এক বছর নির্বাসনে ও আত্মগোপনে থাকার পর আকস্মিকভাবে নিজ দেশ ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন দেশটির প্রভাবশালী বিরোধী নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। রবিবার (২৫ অক্টোবর) তাঁর এই নাটকীয় প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে ভেনেজুয়েলার রাজপথে উচ্ছ্বসিত সাধারণ মানুষের বিশাল জনস্রোত নামে। দেশে ফিরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সরাসরি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, যা লাতিন আমেরিকার দেশটিতে নতুন করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী কারাকাসের দিকে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বিশাল বহর নিয়ে যাত্রার সময় মহাসড়ক, টোল প্লাজা ও শহরের অলিগলিতে হাজার হাজার মানুষ ভেনেজুয়েলার জাতীয় পতাকা হাতে ভিড় জমান এবং ‘স্বাধীনতা’ স্লোগানে মুখর করে তোলেন চারপাশ।
আরও পড়ুন,
গুয়াকারার একটি জনাকীর্ণ চত্বরে নিজের পরিচিত সাদা টি-শার্ট ও নীল জিনস পরে গাড়ির সানরুফ দিয়ে বেরিয়ে এসে সমর্থকদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলান মাচাদো। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন লাখ লাখ অভিবাসী ভেনেজুয়েলীয়ের মনে আশার সঞ্চার করেছে, যারা দমন-পীড়ন ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে একসময় দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণের জন্য অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে দেশত্যাগ করেছিলেন ৫৯ বছর বয়সী এই নেত্রী। এর আগে দীর্ঘ এক বছর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এর মধ্যে মাতৃভূমিতে ফিরে আসার অন্তত সাতটি পূর্ববর্তী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত রবিবার ভেনেজুয়েলার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বারকিসিমেতোর সান্তা রোসা গির্জায় প্রকাশ্যে উপস্থিত হয়ে তিনি সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত হন। তাঁর এই আকস্মিক প্রত্যাবর্তন ভেনেজুয়েলার বর্তমান অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন মোড় দিয়েছে এবং তাঁকে আবারও জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন