সাংবাদিকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং সংবাদ প্রচারে কঠোর সরকারি বিধিনিষেধের প্রতিবাদে তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়েছে তুরস্ক। স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা এবং কারাবন্দি গণমাধ্যমকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে গত শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) দেশটির দুই প্রধান শহর ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার রাজপথে নেমে আসেন হাজারো সাধারণ মানুষ। মূলত সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা এই বিক্ষোভ সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। তুরস্কের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা বৃদ্ধি, কারাদণ্ড, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং স্বাধীন গণমাধ্যমে সরকারি প্রশাসক বসানোর ঘটনায় দেশজুড়ে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। পুলিশ ও আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে প্রায় তিন হাজার মানুষ সমবেত হয়ে কারাবন্দি সাংবাদিকদের ছবি হাতে নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন।
আরও পড়ুন,সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সাময়িকভাবে সৈকত বন্ধ ঘোষণা
তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসেই কর্তৃপক্ষ ১১ জন সাংবাদিককে কারারুদ্ধ করেছে। এর আগে সরকারের সমালোচনার জেরে দেশটির জনপ্রিয় সংবাদ চ্যানেল ‘হাল্ক টিভি’তে পুলিশি অভিযান চালিয়ে সম্প্রচার বন্ধ এবং প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। এছাড়া ‘এলজিবিটি প্রচারণার’ অজুহাতে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘টি২৪’-এর ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আঙ্কারার বিক্ষোভে সিনকান কারাগার থেকে পাঠানো কারাবন্দি সাংবাদিক ইসমাইল আরির একটি চিঠি পড়ে শোনানো হয়, যেখানে তিনি কেবল পেশাগত দায়িত্ব পালনের দায়ে কারাবাসের তীব্র নিন্দা জানান। তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি গোকান দুরমুস অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার সংবাদমাধ্যমকে কঠোর নিয়ন্ত্রণে রেখে সমাজে একক কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। প্রবীণ সাংবাদিক জাফের আরাবকিরলিসহ অন্যান্য বক্তারা জনগণের সঠিক তথ্য জানার অধিকার রক্ষায় এই আন্দোলন অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
বিষয় : অভিযোগ নিয়ন্ত্রণ তুর্কি

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সাংবাদিকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং সংবাদ প্রচারে কঠোর সরকারি বিধিনিষেধের প্রতিবাদে তীব্র আন্দোলনের মুখে পড়েছে তুরস্ক। স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা এবং কারাবন্দি গণমাধ্যমকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে গত শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) দেশটির দুই প্রধান শহর ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার রাজপথে নেমে আসেন হাজারো সাধারণ মানুষ। মূলত সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা এই বিক্ষোভ সমাবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। তুরস্কের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা বৃদ্ধি, কারাদণ্ড, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং স্বাধীন গণমাধ্যমে সরকারি প্রশাসক বসানোর ঘটনায় দেশজুড়ে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। পুলিশ ও আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে প্রায় তিন হাজার মানুষ সমবেত হয়ে কারাবন্দি সাংবাদিকদের ছবি হাতে নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন।
আরও পড়ুন,সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সাময়িকভাবে সৈকত বন্ধ ঘোষণা
তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসেই কর্তৃপক্ষ ১১ জন সাংবাদিককে কারারুদ্ধ করেছে। এর আগে সরকারের সমালোচনার জেরে দেশটির জনপ্রিয় সংবাদ চ্যানেল ‘হাল্ক টিভি’তে পুলিশি অভিযান চালিয়ে সম্প্রচার বন্ধ এবং প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। এছাড়া ‘এলজিবিটি প্রচারণার’ অজুহাতে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘টি২৪’-এর ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আঙ্কারার বিক্ষোভে সিনকান কারাগার থেকে পাঠানো কারাবন্দি সাংবাদিক ইসমাইল আরির একটি চিঠি পড়ে শোনানো হয়, যেখানে তিনি কেবল পেশাগত দায়িত্ব পালনের দায়ে কারাবাসের তীব্র নিন্দা জানান। তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি গোকান দুরমুস অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার সংবাদমাধ্যমকে কঠোর নিয়ন্ত্রণে রেখে সমাজে একক কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। প্রবীণ সাংবাদিক জাফের আরাবকিরলিসহ অন্যান্য বক্তারা জনগণের সঠিক তথ্য জানার অধিকার রক্ষায় এই আন্দোলন অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন